সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মুহাম্মদ বিন কাসিমের পতন: ক্ষমতা, রাজনৈতিক কোন্দল এবং এক ট্র্যাজিক অধ্যায়

মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...

Muslims and Islam in Sweden

Sweden is a country in the Scandinavian region of Western Europe. The largest city and capital of Sweden is Stockholm. Sweden is bordered by Finland to the northeast, Norway to the west and the Oresund Bridge to the southwest. 295 square kilometers. It is the third largest country in Europe. Sweden is one of the least populous regions in Europe. According to a 2017 report from the Swedish Agency for Support to Faith Communities, there were 170,915 Muslims in Sweden who practiced their religion regularly; This count came from those registered with Islamic congregations. The immigration has been the main driver of spreading Islam in Sweden since the late 1960s. Population increases between 2004-2012 have been attributed to immigrants from Iraq, Somalia, and Afghanistan. The US Department of State sets the figure at around 6% (almost 600,000) of the total Swedish population. The population density is 20.6 people per square kilometer. According to the Central Intelligence Agency's 2011...

সুইডেনে কুরআনে অগ্নিসংযোগ ও মতপ্রকাশ

মো. আবু রায়হানঃ ইউরোপের দেশ সুইডেন। দেশটির আয়তন ৪ লাখ ৫০ হাজার ২৯৫ বর্গকিলোমিটার। মাত্র ৯৫ লক্ষ জনসংখ্যার কারণে সুইডেন ইউরোপের অন্যতম কম জনসংখ্যার ঘনত্বপূর্ণ অঞ্চল। ২০১৬ সালে সুইডেনের মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু অভিবাসনের উচ্চ হার যদি অব্যাহত থাকে ২০৫০ সাল নাগাদ সুইডেনে মুসলিমরা হবে মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ। সেন্ট্রাল ইন্টিলিজেন্স এজেন্সির ২০১১ সালের পরিসংখ্যা অনুসারে সুইডেনের মোট জনসংখ্যার সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষ মুসলিম। অপরদিকে সুইডেনে মুসলমান ও তাদের মসজিদের ওপর হামলার ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলছে। প্রতি বছরই আগের বছরের তুলনায় মুসলিমরা বেশি পরিমাণে হামলার শিকার হচ্ছে।যার সর্বশেষ উদাহরণ কুরআনে অগ্নিসংযোগের মতো গুরুতর ঘটনা। শুক্রবার মালামোতে ইসলামবিরোধী অনেক দল কোরআন অবমাননার জন্য সমবেত হয়েছিল। জনসম্মুখে তারা কোরআনের কপিতে পদাঘাত করেছিল।কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চল মালমো শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শহরটিতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ার ঘটনাও ঘটেছে। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ইসলাম ধ...

ত্রিমুখি টার্গেটে ফিলিস্তিন

ত্রিমুখি টার্গেটে পরিণত হয়ে নিজেদের সব হারানোর পথে ফিলিস্তিনিরা। ইহুদিবাদি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আরব দেশগুলোও তাদের ছাড়তে শুরু করেছে। আরব শাসকেরা চায় ক্ষমতা, মসনদ ও অস্ত্র। ইসরায়েল চায় ভূমি। ট্রাম্প চায় ইহুদি ভোটাদের আকৃষ্ট করতে। আর তিন পক্ষের এই তিন স্বার্থের বলি হচ্ছে ফিলিস্তিন। কপাল পুড়ছে নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের।ফিলিস্তিন-ইসরাইলের দ্বিরাষ্ট্র সমাধানকে অস্বীকার করে বিতর্কিত একটি প্রস্তাবও প্রণয়ন করেছেন ট্রাম্প যা ডিল অব দ্য সেঞ্চুরি নামে পরিচিত। সবকিছু বিবেচনা করে মনে হচ্ছে আগামী দিনগুলোতে ফিলিস্তিনি মুসলিমদের জন্য আরো দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে ।

ভারতের রাষ্ট্রধর্ম হিন্দু হলে?

বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল চেয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছে। কারা কি উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছে তা বলতে চাচ্ছি না। বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকায় মুসলিম নামধারী কথিত প্রগতিশীলদের কাছেও তা অবোধগম্য। তারা প্রশ্ন করেছেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম চান, আবার ভারতের ধর্মনিরপেক্ষদের পক্ষে কথা বলেন এটি দ্বিমুখি আচরণ হয়ে গেল না? আসলে ধর্মনিরপেক্ষকতা কী? অল্প কথায় রাষ্ট্রীয় কাজ-কর্মে ধর্মের বিধি-বিধানকে উপেক্ষা করে চলার নামই ধর্মনিরপেক্ষতা।বহুভাষা, বহুধর্মের দেশ ভারত ১৯৭৬ সালে, ৪২ তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটি যুক্ত হয়। ভারতের সংবিধান কেন ধর্মনিরপেক্ষ জানেন? আশা করি উত্তর পেয়ে আপনার মনের তৃষ্ণা ও কথিত নামধারী মুসলিম প্রগতিশীল হবার খায়েশ তিরোহিত হবে। ইসলাম একটি রাষ্ট্রের অমুসলিম নাগরিকদের অবাধ ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, ব্যবসা বাণিজ্য ও মুসলিমদের পরধর্মে সহিষ্ণু হবার শিক্ষা দিয়েছে। এর ব্যতিক্রম হলে মুসলমানদের ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জীবনে কঠিন শাস্তির হুশিয়ারির কথা বলা হয়েছে। এখন আপনাকে বলছি হিন্দুধর্ম কি এভাবে অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি স...

ইহুদিদের আরেকটি প্রতিশব্দ বিশ্বাসঘাতক

ইহুদিরা যে বিশ্বাসঘাতক, বেঈমান তা যুগে যুগে প্রমাণিত সর্বশেষ উদাহরণ ইসরায়েল আরব আমিরাত চুক্তি। চুক্তি অনুযায়ী ইসরায়েল দখলকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে আর ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ করবে না। বিনিময়ে আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করবে। কিন্তু চুক্তির পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে অভিহিত করলেও পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন থেকে সরে আসেননি বলে জানান।

মুসলিম বিশ্বের দ্বন্দ্ব

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ভাঙ্গতে মরিয়া ভারত, ইসরায়েল, আমেরিকা। এক্ষেত্রে সৌদি আরব এদের প্রধান সহযোগী।পাকিস্তান-ইরান-কাতার-তুরস্কের মৈত্রীতে সৌদি ক্ষুব্ধ।চীনও বসে নেই। সৌদি আরব-আমিরাত -ভারত-ইসরায়েল- আমেরিকা জোটের পাল্টা হিসেবে দেখা যাচ্ছে চিন - তুরস্ক-পাকিস্তান-ইরান-কাতার জোট। তুরস্কের সঙ্গে ইমরানের মাখামাখি সম্পর্ক সৌদি আরবের একদম সহ্য হচ্ছে না। ইমরানের সঙ্গে মাহাথির থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর পদ হারানোর পর মালয়েশিয়া নীরব। মুসলিম বিশ্বের এই দলাদলিতে ওআইসি অকার্যকর। কাশ্মীর ইসুতে পাকিস্তান ওআইসিকে পুনরুজ্জীবিত করতে চাইলেও সৌদি আরবের কারণে পারছে না। এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে আমেরিকা ভারত ও ইসরায়েল। যাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অন্তরঙ্গ সম্পর্ক।

তুরস্ক ইসরায়েল সম্পর্ক

মো আবু রায়হানঃতুরস্ক ইসরায়েলের সম্পর্ক ওপেন সিক্রেট বিষয়। যতই তুরস্ক ও এরদোয়ান ইসরায়েলের সমালোচনা করুক না কেন, দেশ দুটোর মধ্যে সম্পর্ক বেশ পুরনো ও গভীর। যদিও মাঝেমধ্যে তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্কে বিভিন্ন ইসুতে টানাপড়েন দেখা গেছে। এরদোয়ানের উদার ইসলামি নীতি ও কৌশলের কারণে দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক অটুট রাখা সম্ভব হয়েছে। এতো শত ভালো কাজ করার পরও ইসরায়েলের সঙ্গে এরদোয়ানের ঘনিষ্ঠতার কারণে তাকে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। এজন্য এরদোয়ানকে বলা হয়েছে ইহুদীদের দালাল।কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কৌশলের জন্য এরদোয়ান সমভাবে প্রশংসিত। বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণ ও অধিকার আদায়ে এরদোয়ান অবিসংবাদিত ও মুসলিম বিশ্বের যেন সুলতান। মুসলিম বিশ্বে সর্বপ্রথম তুরস্কে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন মুস্তফা কামাল পাশা। ১৯২৮ সালে দেশটির শাসনতন্ত্রে রাষ্ট্রের ধর্ম ইসলাম বিলুপ্তির সংশোধনী বিল চালু করে সেকুলারিজম প্রতিষ্ঠা করা হয়।১৯৪৮ সালে অবৈধ দখলদার ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পরের বছর মার্চ মাসে মুসলিম বিশ্বের প্রথম দেশ- তুরস্ক ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।তাদে...

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বিতর্ক

মো আবু রায়হান:সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা লেখা চালু করার দাবিতে ১০ জনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশটি পাওয়ার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধান থেকে বাদ দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা লেখা শুরু করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক জনগণের পক্ষে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হবে এমনটি বলা হয়েছে। শুধু কী বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম রয়েছে ?এর উত্তর চলুন জেনে আসি।সারা  বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ২০ ভাগ দেশের রাষ্ট্রধর্ম রয়েছে। ৪৩ টি দেশে ধর্মকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় গবেষণা সংস্থা পিউ’র তথ্য মতে, বিশ্বের ২৭টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলমান থাকা সত্ত্বেও এসব দেশের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম নয়। ২৯টি দেশে মুসলমানরা সংখ্যায় কম হলেও তারা অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ২৭ টি দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম।বর্তমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৭৩০ কোটি। এরমধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হচ্ছে মুসলিম জনসংখ্যা।মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা এবং উত্তর ইউরোপের ৪৩টি দ...

নাউযুবিল্লাহ কখন বলবেন ?

আজকাল কোথায় নাউযুবিল্লাহ আর কোথায় আলহামদুলিল্লাহ বলবো এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়তে হয়। এসব সমস্যা বেশি হয় ধর্মীয় সভাগুলোতে। বক্তা চার আলিফের সুর দিয়ে থেমে যখন বলে ঠিক না বেঠিক? তখন শ্রোতাদের থতমত খাওয়ার মতো অবস্থা।আবার বক্তা চিল্লায় নাউযুবিল্লাহ বলেন না ক্যারে? না নাউযুবিল্লাহ বাড়ি গিয়ে বলবেন? তো আজকের সংক্ষিপ্ত আলোচনা নাউযুবিল্লাহ নিয়ে। নাউযুবিল্লাহ শব্দের অর্থ, আমরা মহান আল্লাহর কাছে এ থেকে আশ্রয় চাই। যে কোনো মন্দ ও গুনাহের কাজ দেখলে তার থেকে নিজেকে আত্মরক্ষার্থে এটি বলা হয়ে থাকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,তোমরা ভয়াবহ বিপদ, হতভাগ্যের অতল গহবর, মন্দ তাকদীর এবং শত্রুর আনন্দ প্রকাশ থেকে আল্লাহ তায়ালার কাছে আশ্রয় প্রর্থনা কর।’ (সহীহ বুখারি- ৬১৬৩)

আলহামদুলিল্লাহ কখন ?

  আলহামদুলিল্লাহ শব্দের অর্থ, সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য। যে কোন সুখবর বা ভালো অবস্থা সম্পর্কিত সংবাদের বিপরীতে সাধারণত এটি বলে থাকি।যেমন, ভাই আপনি কেমন আছেন? জবাবে বলি, আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি।তবে আজকাল আলহামদুলিল্লাহ যেন অতি সফলদের একান্ত বুলি হয়ে গেছে। বিসিএস ক্যাডার হলাম আলহামদুলিল্লাহ, প্রমোশন পেলাম আলহামদুলিল্লাহ,ম্যানেজার হলাম আলহামদুলিল্লাহ, আবার কেউ শুধু ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ পোস্ট দিয়ে চুপ থাকেন,এতে জনগণের কৌতুকল ও জানার আসক্তি জ্যামিতিকহারে বেড়ে যায়। কমেন্টে গিয়ে কেউ কেউ না জেনে লিখে আলহামদুলিল্লাহ, অভিনন্দন, আমি জানতাম আপনি পারবেন, এগিয়ে যান, বন্ধুরা লিখে আসলেই তুই একটা মাল, শেষে দেখিয়ে দিলি, তো দোস্ত কিসে হলো?আবার কেউ কেউ কমেন্টে লিখে ভাই ঘটনা কি? কেন আলহামদুলিল্লাহ? কেউ ইনবক্সে গিয়ে গুতাতে থাকে ভাই খবরটা কী? রহস্য কি? কী জব পেলেন? কোন রেস্টুরেন্টে ট্রিট দেবেন? এদিকে বেলাও নক করে অধমকে এতোদিন ব্লক করে রেখেছিল। বান্ধবীর মুখে অধমের খবর শোনে নক করে। মেসেজ দিয়ে বলে আমি বলছি না? তুমি পারবে! দেখ কিভাবে হয়ে গেল।তোমার জন্য না অনেক প্রে করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। এতো শত অভিন...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সুফফা ইসলামের প্রথম আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মো.আবু রায়হান:  সুফফা মসজিদে নববির একটি স্থান। যেখানে একদল নিঃস্ব মুহাজির যারা মদিনায় হিজরত করেন এবং বাসস্থানের অভাবে মসজিদে নববির সেই স্থানে থাকতেন।এটি প্রথমদিকে মসজিদ উত্তর-পূর্ব কোণায় ছিল এবং রাসুলের আদেশে এটাকে পাতার ছাউনি দিয়ে ছেয়ে দেয়া হয় তখন থেকে এটি পরিচিতি পায় আল-সুফফা বা আল-জুল্লাহ নামে। ( A Suffah is a room that is covered with palm branches from date trees, which was established next to Al-Masjid al-Nabawi by Islamic prophet Muhammad during the Medina period.)। মোটকথা রাসুল (সা) মসজিদে-নববির চত্ত্বরের এক পাশে আস সুফফা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুফফা হলো ছাদবিশিষ্ট প্রশস্ত স্থান। সুফফার আকৃতি ছিল অনেকটা মঞ্চের মতো, মূল ভূমির উচ্চতা ছিল প্রায় অর্ধমিটার। প্রাথমিক পর্যায়ে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১২ মিটার এবং প্রস্থ ছিল ৮ মিটার। মসজিদে নববির উত্তর-পূর্বাংশে নির্মিত সুফফার দক্ষিণ দিকে ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর স্ত্রীদের অবস্থানের হুজরা এবং সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ছিল মেহরাব।আসহাবে সুফফা অৰ্থ চত্বরবাসী। ঐ সকল মহৎ প্ৰাণ সাহাবি আসহাবে সুফফা নামে পরিচিত, যারা জ্ঞানার্জনের জন্য ভোগবিলাস ত্যা...

খন্দক যুদ্ধ কারণ ও ফলাফল

#মো. আবু রায়হান ইসলামের যুদ্ধগুলোর মধ্যে খন্দকের যুদ্ধ অন্যতম। ৫ হিজরির শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) মদিনায় আসার আগে সেখানে বড় দুটি ইহুদি সম্প্রদায় বসবাস করত। বনু নাজির ও বনু কোরায়জা। ইহুদিদের প্ররোচনায় কুরাইশ ও অন্যান্য গোত্র মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। খন্দকের এই যুদ্ধ ছিল মদিনার ওপরে গোটা আরব সম্প্রদায়ের এক সর্বব্যাপী হামলা এবং কষ্টকর অবরোধের এক দুঃসহ অভিজ্ঞতা। এসময় ২৭দিন ধরে আরব ও ইহুদি গোত্রগুলি মদিনা অবরোধ করে রাখে। পারস্য থেকে আগত সাহাবি সালমান ফারসির পরামর্শে হযরত মুহাম্মদ (স:) মদিনার চারপাশে পরিখা খননের নির্দেশ দেন। প্রাকৃতিকভাবে মদিনাতে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল তার সাথে এই ব্যবস্থা যুক্ত হয়ে আক্রমণ কারীদেরকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। জোটবাহিনী মুসলিমদের মিত্র মদিনার ইহুদি বনু কোরায়জা গোত্রকে নিজেদের পক্ষে আনে যাতে তারা দক্ষিণ দিক থেকে শহর আক্রমণ করে। কিন্তু মুসলিমদের তৎপরতার ফলে তাদের জোট ভেঙে যায়। মুসলিমদের সুসংগঠিত অবস্থা, জোটবাহিনীর আত্মবিশ্বাস হ্রাস ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে শেষপর্যন্ত আক্রমণ ব্যর্থ হয়।এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইসল...

কাবা ঘর নির্মাণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মো. আবু রায়হানঃ কাবা মুসলমানদের কিবলা, অর্থাৎ যে দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে বা সালাত আদায় করে, পৃথিবীর যে স্থান থেকে কাবা যে দিকে মুসলমানগণ ঠিক সে দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করেন। হজ্জ এবং উমরা পালনের সময় মুসলমানগণ কাবাকে ঘিরে তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেন।কাবা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ মুকাআব অর্থ ঘন থেকে।কাবা একটি বড় ঘন আকৃতির ইমারত। (The Kaaba, meaning cube in Arabic, is a square building elegantly draped in a silk and cotton veil.)।যা সৌদি আরবের মক্কা শহরের মসজিদুল হারাম মসজিদের মধ্যখানে অবস্থিত। প্রকৃতপক্ষে মসজিদটি কাবাকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।কাবার ভৌগোলিক অবস্থান ২১.৪২২৪৯৩৫° উত্তর ৩৯.৮২৬২০১৩° পূর্ব।পৃথিবীর সর্বপ্রথম ঘর বায়তুল্লাহ বা পবিত্র কাবা ঘর ।আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্য নির্মিত হয়েছে তা মক্কা নগরীতে। (সুরা আল ইমরান - ৯৬)। “প্রথম মাসজিদ বায়তুল্লাহিল হারাম তারপর বাইতুল মাকদিস, আর এ দুয়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হলো চল্লিশ বছরের”।(মুসলিম- ৫২০)। ভৌগোলিকভাবেই গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপরিচিত নাম। পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি ...