ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
আপনি কি জানেন আজ ৮০% এর বেশি ইহুদি এবং যারা প্যালেস্টাইনে বসবাস করছে তারা বংশগতভাবে সেমিটিক নয়। তারা খাজার তুর্কিদের বংশধর। যারা সপ্তম শতাব্দীতে ইহুদি ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিল। এই ইহুদিদেরকে আশকেনাজি ইহুদিও বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 'ইসরায়েল' বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অবৈধ ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী একজন পোলিশ খাজার ইহুদি। প্রকৃত সেমিটিক হলো ফিলিস্তিনি মুসলমানরা। তাই ইহুদি বর্ণনা অনুসারে প্যালেস্টাইন ("প্রতিশ্রুত ভূমি") প্রকৃতপক্ষে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের অন্তর্গত যারা প্রকৃত সেমিটিক।যারা ফিলিস্তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে তারা এনটি সেমেটিক। বর্তমানের বেশিরভাগ ইহুদিই ( ৯৩%) ইহুদি হযরত ইব্রাহিমের (আ) বংশধর না! তাদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যেরও কোন সম্পর্ক নেই!! তাদের পূর্বপুরুষদেরও কেউ কোন কালেই মধ্যপ্রাচ্যে ছিল না! তাদের সাথে মধ্যপ্রাচ্যের কারোরই রক্তের কোন সম্পর্ক নেই! ৭০০ খৃষ্টাব্দের পর সারা পৃথিবীতে তিনটি সুপারপাওয়ার সাম্রাজ্য ছিল।১. রোমান এম্পায়ার (খৃষ্টানদের) ২. মুসলিম খিলাফত (মুসলিমদের) ও. ৩. খাজার সাম্রাজ্য (Pagan বা প্রকৃতি পূজকদের, এই খাজাররা খুবই শক্তিশালী ছ...