সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে ৪, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মুহাম্মদ বিন কাসিমের পতন: ক্ষমতা, রাজনৈতিক কোন্দল এবং এক ট্র্যাজিক অধ্যায়

মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...

দানের ফজিলত ও একটি ঘটনা

মো. আবু রায়হানঃ  ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় সাদকা বা দান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।দান করা অতি মহৎ কাজ। ধনী গরীব ব্যবধান দূরীভূত করে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েমে দানের রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব। দান করতে বিশাল অর্থ বিত্তের মালিক হতে হয় না। অল্প পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেও দান করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট।দানের জন্য বিত্তের চেয়ে চিত্তের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও উদারতা বেশি প্রয়োজন। অনেকের ধারণা দান করলে সম্পদ কমে যায় এটি একটি ভুল ধারণা বরং সম্পদ বৃদ্ধি ও বরকত প্রাপ্ত হয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, “সাদকা করলে কোন মানুষের সম্পদ কমে না।” (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)। দানের ফলে বিপদ আপদ দূর হয়।মানুষের কল্যাণে নিজের অর্থ-সম্পদ ব্যয় বা প্রদান করাকে দান বলা হয়।Cambridge Dictionary তে দানের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে,"money or goods that are given to help a person or organization. হযরত  আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, সদকা সম্পদ হ্রাস করে না। কাউকে ক্ষমা করলে এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দার ইজ্জত বৃদ্ধিই করে থাকেন। এবং যে কেউ আল্লাহর জন্য বিনম্র হয়, আল্লাহ তার মর্যদা বাড়িয়েই দেন।...

শ্রীলঙ্কায় সন্ত্রাসী হামলার পর আতঙ্কে মুসলমানরা

গতকালের হামলার পর মুসলিম কয়েক জনের নাম আসায় ও একটি জঙ্গি সংগঠনের দায় স্বীকার করার পর শ্রীলঙ্কার মুসলিমরা আতঙ্কে রয়েছে। শ্রীলঙ্কায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্কের ইতিহাস এমনিতেই খুব ভালো না। গত বছর ক্যান্ডি এবং আশপাশের বেশ কিছু শহরে মসজিদ এবং মুসলিম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কট্টর বৌদ্ধদের হামলার পর সাময়িক জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল।ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত শ্রীলঙ্কার মোট আয়তন ৬৫ হাজার ৬১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং ভারত মহাসাগরে এটিই সবচেয়ে বড় দ্বীপ দেশ হিসেবে পরিচিত। ভারত উপমহাদেশ থেকে শ্রীলঙ্কায় ইসলামের বিস্তার ঘটে এবং এ ক্ষেত্রে ইরানি বণিকদের অবদান ছিল। অবশ্য শ্রীলঙ্কায় ইসলাম প্রসারের ক্ষেত্রে ভারতীয় মুসলমানদেরও বড় ভূমিকা ছিল। দেশটির মোট জনসংখ্যার দশ শতাংশই মুসলমান। বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় ১৫শ'টি  মসজিদ, ১০০টি কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং ২০০টির মত মাদরাসা বা দ্বীনী শিক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। শ্রীলঙ্কার মুসলিম জনগোষ্ঠী দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে।

‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’-এর ফজিলত

মো. আব রায়হান:  এটি নিয়মতি পাঠ করলে জান্নাতের ধানাগার অর্জিত হয়। হাদিসে এসেছে- হযরত আবু মুসা আল আশআরী (রা) বর্ণনা করেন, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি গিরিপথ দিয়ে অথবা (বর্ণনাকারী বলেন) একটি চুড়া হয়ে যাচ্ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি এর উপর ওঠে জোরে জোরে বলল- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।’হযরত আবু মুসা বলেন, তখন রাসুল (সা) তাঁর খচ্চরে আরোহী ছিলেন। তখন রাসুল (সা)  বললেন, তোমরা তো কোনো বধির ‍কিংবা কোনো অনুপস্থিত কাউকে ডাকছো না। অতঃপর তিনি বললেন-‘হে আবু মুসা! বা হে আবদুল্লাহ!“তোমাকে জান্নাতের অন্যতম ধনভাণ্ডারের কথা বলে দেব না কি?” আমি বললাম, ‘অবশ্যই বলে দিন, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ (লা হাওলা অলা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)  (বুখারী ও মুসলিম)। ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ। অর্থাৎ ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ভরসা নেই; কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই।’ (বুখারি)হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী, ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ’-এর পাঠে জান্নাতে ধনাগার লাভ হয়। যাতে রয়েছে বান্দার যাবতীয় কল্যাণ।আবূ যার (রা) থে...

পুরোনো মজার একটি শিক্ষণীয় গল্প

পুরোনো মজার একটি গল্প।  #বিটিভির দর্শক সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। #এদেশে ২৩ বছরে মাস্টার্স কমপ্লিট হয়। #মন্ত্রী মহোদয়গণ অন্যদেশের মন্ত্রীদের পরামর্শ দেন। ভ্রমণে বের হওয়ার আ...

ইসলামি বিধান পালনে মুসলিম দেশের চেয়ে অমুসলিম দেশের মুসলিমরা এগিয়ে

ইসলামি বিধান পালনে মুসলিম দেশের চেয়ে অমুসলিম দেশের মুসলিমরা এগিয়ে- জরিপে দেখা গেছে সবচেয়ে ইসলামি বিধান মেনে চলা দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড এবং দ্বিতীয় অবস্থানে লুক্সেম...

আল্লাহর আদেশ অমান্যের পরিণতি!

ইবলিশ ৬ লক্ষ বছর আল্লাহর ইবাদত করেছে, এক সিজদায় ৬ হাজার বছর কেটে দিয়েছে এবং আসমান ও জমীনের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে তার সিজদা পড়েনি। সেই ইবলিশ আল্লাহ তায়ালার একটি মাত্র ...

পৃথিবীর প্রথম মার্ডার কেস

আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন দুনিয়ার সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে হত্যা কর...

জেনেটিকালি মুসলিম হওয়া যায় না

জেনেটিকালি শাকসবজি উৎপাদন ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সম্ভব। কিন্তু বাবা মুসলিম সেই হিসেবে জেনেটিকালি আমিও মুসলিম হবো তা কিন্তু সব সময় সম্ভব নয়। আপনি বংশ ধারায় বা...

মোবাইলের টাচ স্কিনে অযু ছাড়া কি কুরআন পড়া যায়?

মোবাইলের টাচ স্কিনে অযু ছাড়া কি কুরআন পড়া যায়? “নিশ্চয়ই ইহা সন্মানিত কুরআন, যাহা সুরক্ষিত আছে কিতাবে। যাহারা পূত-পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না। ইহা ...

দুর্যোগ কি মোকাবেলা করা যায়?

মো.আবু রায়হান: আমরা কথায় কথায় দুর্যোগ মোকাবেলা করার কথা বলি।আদৌও কি দুর্যোগ মোকাবেলা করার মতো হিম্মত ও সাহস আমাদের কি আছে? স্রষ্টা কর্তৃক সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য আমরা কি উপযুক্ত! হায় বাঙালি মুসলমান! আমরা কথায় কথায় মোকাবেলা শব্দটি ব্যবহার করি কিন্তু এর সমার্থক অর্থ গুলো কি আসে আমরা কি তা জানি।? মোকাবেলা মানে সামনাসামনি বোঝাপড়া, বিরুদ্ধাচরণ, প্রতিশোধ ইত্যাদি। বিশ্বাস না হলে বাংলা একাডেমির বাংলা অভিধান দেখুন। শব্দটির কত  ওজন,  কিন্তু  আমরা তা না জেনে হরহামেশাই তা ব্যবহার করছি। শব্দের অর্থ গুলো নিয়ে একবার চিন্তা করুন। দুর্যোগ দেন কে? কে বা তা প্রশমিতই করেন?  আমাদের কি তা মোকাবেলা করার মত সুযোগ ও সক্ষমতা আছে?  বিজ্ঞানের এ যুগে আমরা সর্বোচ্চ যেটা করতে পারি তা হলো দুর্যোগ পূর্ব কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। যা আমাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করতে পারে। কিন্তু রীতিমতো দুর্যোগ মোকাবিলায় নেমে পড়লেন? কেমনে সম্ভব? একবার চিন্তা করেন। শব্দ চয়নের ভুলের কারণে আমরা কত বড় স্পর্ধা দেখাচ্ছি! একবার ভেবে দেখেছেন। বলতে পারেন দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে আম...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সুফফা ইসলামের প্রথম আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মো.আবু রায়হান:  সুফফা মসজিদে নববির একটি স্থান। যেখানে একদল নিঃস্ব মুহাজির যারা মদিনায় হিজরত করেন এবং বাসস্থানের অভাবে মসজিদে নববির সেই স্থানে থাকতেন।এটি প্রথমদিকে মসজিদ উত্তর-পূর্ব কোণায় ছিল এবং রাসুলের আদেশে এটাকে পাতার ছাউনি দিয়ে ছেয়ে দেয়া হয় তখন থেকে এটি পরিচিতি পায় আল-সুফফা বা আল-জুল্লাহ নামে। ( A Suffah is a room that is covered with palm branches from date trees, which was established next to Al-Masjid al-Nabawi by Islamic prophet Muhammad during the Medina period.)। মোটকথা রাসুল (সা) মসজিদে-নববির চত্ত্বরের এক পাশে আস সুফফা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুফফা হলো ছাদবিশিষ্ট প্রশস্ত স্থান। সুফফার আকৃতি ছিল অনেকটা মঞ্চের মতো, মূল ভূমির উচ্চতা ছিল প্রায় অর্ধমিটার। প্রাথমিক পর্যায়ে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১২ মিটার এবং প্রস্থ ছিল ৮ মিটার। মসজিদে নববির উত্তর-পূর্বাংশে নির্মিত সুফফার দক্ষিণ দিকে ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর স্ত্রীদের অবস্থানের হুজরা এবং সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ছিল মেহরাব।আসহাবে সুফফা অৰ্থ চত্বরবাসী। ঐ সকল মহৎ প্ৰাণ সাহাবি আসহাবে সুফফা নামে পরিচিত, যারা জ্ঞানার্জনের জন্য ভোগবিলাস ত্যা...

খন্দক যুদ্ধ কারণ ও ফলাফল

#মো. আবু রায়হান ইসলামের যুদ্ধগুলোর মধ্যে খন্দকের যুদ্ধ অন্যতম। ৫ হিজরির শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) মদিনায় আসার আগে সেখানে বড় দুটি ইহুদি সম্প্রদায় বসবাস করত। বনু নাজির ও বনু কোরায়জা। ইহুদিদের প্ররোচনায় কুরাইশ ও অন্যান্য গোত্র মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। খন্দকের এই যুদ্ধ ছিল মদিনার ওপরে গোটা আরব সম্প্রদায়ের এক সর্বব্যাপী হামলা এবং কষ্টকর অবরোধের এক দুঃসহ অভিজ্ঞতা। এসময় ২৭দিন ধরে আরব ও ইহুদি গোত্রগুলি মদিনা অবরোধ করে রাখে। পারস্য থেকে আগত সাহাবি সালমান ফারসির পরামর্শে হযরত মুহাম্মদ (স:) মদিনার চারপাশে পরিখা খননের নির্দেশ দেন। প্রাকৃতিকভাবে মদিনাতে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল তার সাথে এই ব্যবস্থা যুক্ত হয়ে আক্রমণ কারীদেরকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। জোটবাহিনী মুসলিমদের মিত্র মদিনার ইহুদি বনু কোরায়জা গোত্রকে নিজেদের পক্ষে আনে যাতে তারা দক্ষিণ দিক থেকে শহর আক্রমণ করে। কিন্তু মুসলিমদের তৎপরতার ফলে তাদের জোট ভেঙে যায়। মুসলিমদের সুসংগঠিত অবস্থা, জোটবাহিনীর আত্মবিশ্বাস হ্রাস ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে শেষপর্যন্ত আক্রমণ ব্যর্থ হয়।এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইসল...

কাবা ঘর নির্মাণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মো. আবু রায়হানঃ কাবা মুসলমানদের কিবলা, অর্থাৎ যে দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে বা সালাত আদায় করে, পৃথিবীর যে স্থান থেকে কাবা যে দিকে মুসলমানগণ ঠিক সে দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করেন। হজ্জ এবং উমরা পালনের সময় মুসলমানগণ কাবাকে ঘিরে তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেন।কাবা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ মুকাআব অর্থ ঘন থেকে।কাবা একটি বড় ঘন আকৃতির ইমারত। (The Kaaba, meaning cube in Arabic, is a square building elegantly draped in a silk and cotton veil.)।যা সৌদি আরবের মক্কা শহরের মসজিদুল হারাম মসজিদের মধ্যখানে অবস্থিত। প্রকৃতপক্ষে মসজিদটি কাবাকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।কাবার ভৌগোলিক অবস্থান ২১.৪২২৪৯৩৫° উত্তর ৩৯.৮২৬২০১৩° পূর্ব।পৃথিবীর সর্বপ্রথম ঘর বায়তুল্লাহ বা পবিত্র কাবা ঘর ।আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্য নির্মিত হয়েছে তা মক্কা নগরীতে। (সুরা আল ইমরান - ৯৬)। “প্রথম মাসজিদ বায়তুল্লাহিল হারাম তারপর বাইতুল মাকদিস, আর এ দুয়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হলো চল্লিশ বছরের”।(মুসলিম- ৫২০)। ভৌগোলিকভাবেই গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপরিচিত নাম। পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি ...