১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
মো.আবু রায়হান ৩০ বছর বয়সী মিসরীয় মুসলিম যুবক নায়েল নাসের একজন পেশাদার ঘোড়দৌড়বিদ। নাসেরের মা-বাবা মিশরীয়। বাবা-মায়ের কর্মস্থল কুয়েতে তার শৈশব কেটেছে। এরপর ২০০৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়াতে চলে আসার পর ঘোরদৌড়ে তার আগ্রহ জাগে।ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বিল গেটস কন্যা জেনিফার গেটসের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।দু'জনেরই ছিল ঘোড়দৌড়ের প্রতি ভীষণ আগ্রহ। এই আগ্রহের কারণেই দু’জনে আরও কাছাকাছি আসেন।একসঙ্গে বিভিন্ন ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশও নেন। এভাবেই ধীরে ধীরে জেনিফারের মনে জায়গা করে নেন নাসের।খুব শিগশিরই তা প্রণয়ে রূপ নেয়। ২০১৩ সালে স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক পাস করেন নাসের। ২০১৮ সালে জেনিফারকে হিউম্যান বায়োলজিতে সাহায্য করার জন্য ফের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন তিনি। ক্যালিফোর্নিয়ায় সম্প্রতি নিজের প্রাক বিবাহ পার্টিও সেরে নিয়েছেন বিশ্বের কোটি কোটি তরুণের স্বপ্নকন্যা জেনিফার। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদানের ঘোষণা দেন জেনিফার ও নাসের। খুব শিগগিরই দুজনের বিয়ের ঘোষণাও দেয়া রয়েছে। হবু স্বামী নায়েল নাসের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বরফাচ্ছাদিত স্থানে দু’জনের ঘনিষ্ঠ...