১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত দেশ সার্বিয়া। বলকান উপদ্বীপের মধ্যভাগে অবস্থান। এটি পানোনীয় সমভূমির দক্ষিণাংশে, বলকান উপদ্বীপের মধ্যভাগে অবস্থিত। দেশটির উত্তরে হাঙ্গেরি, পূর্বে রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া, দক্ষিণে আলবেনিয়া ও উত্তর মেসিডোনিয়া, এবং পশ্চিমে মন্টিনিগ্রো, ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। এর রাজধানীর নাম বেলগ্রেড। সার্বিয়ার আয়তন ৭৭ হাজার ৪৭৪ বর্গকিলোমিটার (কসোভো বাদ দিয়ে)।। ২০১৮ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, দেশটির জনসংখ্যা ৭০ লাখ ৫৮ হাজার ৩২২ (কসোভো বাদ দিয়ে)।জাতিগোষ্ঠীর সার্ব ৮৩.৩ শতাংশ, হাঙ্গেরিয়ান ৩.৫ শতাংশ, রোমা ২.১ শতাংশ, বসনিয়াক ২ শতাংশ, অন্যান্য ৯.১ শতাংশ। সংবিধান অনুযায়ী সার্বিয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, যেখানে বসবাসকারীরা তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ধর্ম পালন করতে পারে। তবে দেশটির ৮৪ শতাংশ মানুষ খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী। এছাড়া রোমান ক্যাথলিকদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৬ শতাংশ এবং মুসলিম ৩ শতাংশ। অন্যান্য ধর্মালম্বী রয়েছে আরও ৭ শতাংশ। সার্বিয়ার অফিসিয়াল ভাষা সার্বিয়ান। দেশটির ৮০ শতাংশের অধিক মানুষ এই ভাষায় কথা বলে। এছাড়া দেশটির প্রায় ১৫ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হাঙ্...