১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
মো.আবু রায়হানঃতিমুর সাগরের উত্তর তীরে এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি দ্বীপ তিমুর।দ্বীপটি ৩০,৭৭৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। দ্বীপের নাম টাইমুর শব্দ থেকে এসেছে, মলয় ভাষাতে তিমুর শব্দের অর্থ হল পূর্ব; দ্বীপটির এরূপ নামকরণের কারণ দ্বীপটির অবস্থান। কারণ দ্বীপটি লেসা সুন্দা দ্বীপপুঞ্জের পূর্ব দিকে অবস্থিত। দ্বীপটি পূর্ব অংশে পূর্ব তিমুরের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং পশ্চিম অংশ ইন্দোনেশিয়ার অংশ হিসাবে বিভক্ত। ইন্দোনেশিয়ান অংশ, পশ্চিম তিমুর নামেও পরিচিত, পশ্চিম অংশটি নুসা তেনগারা প্রদেশের অংশ। পশ্চিম তিমুরের মধ্যে অবস্থিত ইস্ট টিয়ার্সের একটি ছিটমহল রয়ে যাকে ওইকেসেস জেলা বলা হয়। দ্বীপটি শতাব্দী ধরে রাজনৈতিকভাবে দুই ভাগে বিভক্ত। ডাচ ও পর্তুগিজ দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণের জন্য চুক্তির দ্বারা দ্বীপটিকে বিভক্ত করে ১৬৫১ সালে ওলন্দাজরা তিমুরের পশ্চিমে কুপাং রাজ্যটি দখল করে নেয়। এটা ছিল তিমুর দ্বীপের প্রায় অর্ধেক। তিমুরের পুবের অংশটি তখন পর্তুগিজদের দখলে। পর্তুগিজ ব্যবসায়ী ও ধর্মযাজকেরা ১৫৫১ সালেই সেখানে পৌঁছেছিলেন। ১৮৫৯ সালে পতুর্গালের সঙ্গে ওলান্দাজদের একটা চুক্তি...