ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
আজ সারাদেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় যুব দিবস। এই দিবসের প্রাক্কালে এদেশের যুবারা অবস্থান নিয়ে আছে রাজপথে। তাদের একটিই দাবি সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে।জোরালোভাবে এ দাবী তারা কয়েক বছর ধরে জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস ও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে বয়স বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি থাকলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। দাবিটি সময়োপযোগী ও যৌক্তিক হবার পরও বাস্তবায়ন না করাটা সত্যিই দুঃখজনক। এ নিয়ে আমার বেশ কয়েকটি লেখা ইতোমধ্যে পত্র পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। লেখাগুলোয় ৩৫ কেন প্রয়োজন? তা বিভিন্ন যুক্তির নিরিখে উপস্থাপন করা হয়েছে। আপাত: দৃষ্টিতে ৩৫ এর মতো যৌক্তিক আন্দোলনে দাবি পূরণ না হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ বিদ্যমান। প্রথমত : ৩৫ আন্দোলনকারীরা এ দাবীর যথার্থতা ও যৌক্তিক কারণ সরকারের উপর মহলে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয়ত : সবাই ফেসবুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৩৫ চাই বলে সরব কিন্তু রাজপথে তাদের শারীরিক অনুপস্থিতি। তৃতীয়ত :জোরালো কর্মসূচি জনসংযোগের অভাব এবং সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সাথে সম্পর্কেের যথেষ্ট ঘাটতি। চতুর্থত: সবচেয়ে গুরু...