১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
মো.আবু রায়হানঃকরোনায় বিপর্যস্ত বিশ্ব অর্থনীতি, নাকাল মানুষ।হাজার হাজার লাশের সারি। কিং কর্তব্য বিমূঢ় সারা বিশ্ব। ক্ষুদ্র আদেখা করোনা ভাইরাসের কাছে মানুষ আজ অসহায়।জানা নেই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায়। বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দিলেও তা ওই পর্যন্ত। এরমধ্যে তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের কোম্পানি ও বিজ্ঞানীরা করোনা রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছে। তারা অনেকটা সফল ও অনেক দূর এগিয়েছেন। একথা জানাতে গিয়ে আসিফ মাহমুদ আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। কেন কাঁদবেন না? এ ভাইরাস কতজনের জীবন স্বপ্ন, কর্ম, প্রেম কেড়ে নিয়েছে। বিরহ বাড়িয়েছে। অনাহার, অর্ধাহারে ভীষণ কষ্ট সইছেন। এ ভ্যাকসিন তাদের ভবিষ্যতে বেঁচে থাকার স্বপ্নটুকু জিইয়ে রাখবে। আমাদের মন খুবই নরম, আমাদের আবেগ, উচ্ছ্বাস অনেক বেশি। আমরা অল্পতে অনেক খুশি।তাইতো আনন্দটাও বেশি উপভোগ করি। আসিফ মাহমুদের কান্নায় রয়েছে দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি পরম মমতা ও ভালোবাসার স্ফুরণ। বিশ্বের অনেক বিজ্ঞানীর কিছু আবিষ্কারের পর উদযাপনে তাদের পরিবেশটাই ছিল আলাদা। আমাদের উদযাপন ছিল প্রেম, ভালোবাসা ও দা...