১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
১. মূল আবিষ্কার ও প্রকৌশলগত উদ্ভাবন ছয় সিলিন্ডারের জল পাম্প (১৫৫৯): তিনি একটি উন্নত জলবাহী যন্ত্র তৈরি করেন, যা জল উত্তোলনের জন্য একটি জলের সাহায্যে চালিত স্কুপ-হুইল, অ্যাক্সেলের ওপর ক্যাম সিস্টেম এবং ভালভ ব্যবহার করত। প্রাথমিক বাষ্পীয় টারবাইন (১৫৫১): তিনি এমন একটি বাষ্পচালিত যন্ত্রের বর্ণনা দিয়েছিলেন, যা চাকার ডানার দিকে চালিত বাষ্পের জেট দ্বারা চালিত হতো এবং এটি ভবিষ্যতের বাষ্প প্রযুক্তির অগ্রদূত হিসেবে কাজ করেছিল। নির্ভুল ঘড়ি ও অ্যালার্ম সিস্টেম: তিনি এমন উন্নত জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ঘড়ি তৈরি করেছিলেন যা মিনিট ও সেকেন্ডের মাপে সময় পরিমাপ করতে পারত, পাশাপাশি প্রাথমিক মেকানিক্যাল অ্যালার্ম সিস্টেমও আবিষ্কার করেছিলেন। ২. জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবদান কনস্টান্টিনোপল মানমন্দির (১৫৭৭): নক্ষত্রপুঞ্জ নিখুঁতভাবে ম্যাপ করা এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব আপডেট করার উদ্দেশ্যে তিনি সুলতান তৃতীয় মুরাদের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি অত্যাধুনিক মানমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। ৩. ইসমাইল আল-জাজারির সাথে তুলনা ইসমাইল আল-জাজারি (দ্বাদশ শতাব্দী): তিনি মূলত রোবটিক ডিভাইস (অটোমাটা) এবং ক্র্যাঙ্কশাফটের মতো মৌলিক যান্ত্...