মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতকাল ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম একটি স্থানীয় ধর্মীয় আন্দোলন থেকে আঞ্চলিক শক্তিতে রূপ নেয়। মদিনা থেকে শুরু করে এই আন্দোলন কূটনীতি, চুক্তি এবং সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সমগ্র আরব উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ে। মূল দিকসমূহ: রাজনৈতিক ঐক্য: আরবের বিভিন্ন গোত্র ইসলামের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব মেনে নেয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের আন্তঃগোত্রীয় দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র: মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি সুসংহত ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান: এই নবগঠিত রাষ্ট্রটি এমন এক সময়ে গঠিত হয়েছিল যখন এর পশ্চিমে বাইজেন্টাইন (রোমান) সাম্রাজ্য এবং পূর্বে সাসানীয় (পারস্য) সাম্রাজ্য অবস্থান করছিল—উভয় সাম্রাজ্যই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মানচিত্র (Map Overview) ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের বিস্তৃতি বোঝাতে সাধারণত যে ঐতিহাসিক মানচিত্রগুলো (যেমন: আল মুকাদ্দামা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক ম্যাপ) ব্যবহার করা হয়, তাতে নিম্নলিখিত ভৌগোলিক সীমানা দেখা যায়: সবুজ বা নির্দিষ্ট রঙে চিহ্নিত এলাকা: সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ (মক্কা, মদিনা,...
মো.আবু রায়হানঃ সুইজারল্যান্ড ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। স্থানীয় ভাষায় দেশটি সুয়াতিনি নামে পরিচিত। সুইজারল্যান্ড একটি ছোট স্থলবেষ্টিত দেশ, যার চারপাশে রয়েছে ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি এবং অস্ট্রিয়া।দেশটির পশ্চিমে ফ্রান্স, উত্তরে জার্মানি, পূর্বে অস্ট্রিয়া ও দক্ষিণে ইতালি অবস্থিত। সুইজারল্যান্ড বহুভাষী রাষ্ট্র এবং এখানকার চারটি রাষ্ট্র ভাষা রয়েছে- জার্মান, ফরাসি, ইতালীয় এবং রোমানীয়। বাকিরা স্পেনীয়, পর্তুগিজ আর তুর্কীয় ভাষায় কথা বলে।জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশই জার্মানির অধিবাসী। এরা জার্মান ভাষায় কথা বলে। ২০ শতাংশ লোকের ভাষা ফ্রান্স, আর ৪ শতাংশ মানুষের ভাষা ইতালি। সুইজারল্যান্ড ১৬৪৮ সালে রোমান সাম্রাজ্য থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে। তবে দেশটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১২৯১ সালে। সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হওয়ার পাশাপাশি এটি ন্যাটোর সদস্য নয়।সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, ২০১২ সাল পর্যন্ত সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্য ছিল না। এটি পৃথিবীর ধনী রাষ্ট্রসমূহের অন্যতম। সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি, ট্রেন এবং চকলেটের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। তবে সুইস ব্যাংকসমূহ পৃথিবী...