মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
বেনিন পশ্চিম আফ্রিকার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এটি আফ্রিকার ক্ষুদ্রতর দেশগুলির একটি। পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশটির পশ্চিমে টোগো , পূর্বে নাইজেরিয়া ও বুরকিনা ফাসো , উত্তরে নাইজার। দক্ষিণের উপকূল রেখা ঘেঁষে বেশির ভাগ মানুষের বাস। আটলান্টিক মহাসাগরের গালফ অব গুইনির অংশবিশেষে এর অবস্থান। রাজধানীঃ বেনিনের রাজধানী পোর্ট নভো আয়তন : এক লাখ ১৪ হাজার ৭৬৩ বর্গ কিমি। জনসংখ্যা: সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) তথ্য অনুযায়ী দেশটিতে বর্তমান জনসংখ্যা এক কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৫০৪ জন। জাতিগোষ্ঠী : ফন ৩৯.২% , আদজা ১৫.২% , ইউরুবা ১২.৩% , বারিবা ৯.২% , ফুলা ৭% , ওত্তামারি৬.১% , কাবিয়া৪% , ড্যান্ডি ২.৫% , অন্যান্য ১.৬% , অনির্ধারিত ২.৯%। ধর্মঃ ২৭.৭ শতাংশ মুসলিম , ২৫.৫ শতাংশ রোমান ক্যাথলিক , ১১.৬ শতাংশ বৌদ্ধ , ৯.৫ শতাংশ খ্রিস্টানসহ বাকি আরো কিছু ধর্মবিশ্বাসের সংমিশ্রণ সেখানে রয়েছে। ভাষা : ফরাসি (সরকারি) , ফন , ইউরুবা মুদ্রা : পশ্চিম আফ্রিকান ফ্রেঞ্চ জাতিসংঘে সদস্যপদ : ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ ইতিহাস বেনিনের প্রাক্তন নাম ছিল দাহোমি । ঊনবিংশ শতাব্দীতে বেনিনে স্বাধীন দাহোমি রাজত্ব প্র...