ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
মো. আবু রায়হানঃ মসজিদে জুমা সৌদি আরব এর মদিনা শহরে অবস্থিত।মদিনা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুনার নিকটে, মসজিদে কুবা থেকে ৯০০ মিটার উত্তরে এবং মসজিদে নববী থেকে ৬ কিমি দূরত্বে অবস্থিত। রাসুল (সাঃ) ও তাঁর মুহাজির সঙ্গীরা মক্কা থেকে মদীনা পর্যন্ত হিজরতের পথে,কয়েক দিনের জন্য কুবা অঞ্চলে কাফেলা থামিয়েছিলেন।একদিন শুক্রবার সকালে তারা পুনরায় মদিনার পথে যাত্রা শুরু করেন এবং জুমার নামাজের সময় হলে ওয়াদি রানুনা অঞ্চলে কাফেলা থামিয়ে রাসুল (সা) তাঁর কাসওয়া উট থেকে নেমে সেখানে জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন। জুমার নামাজে প্রায় শতাধিক লোক এই প্রথম জুমাতে শরিক হন।যাদের মধ্যে বনি নাজির ও বনি আমর গোত্রের ছিলেন। Approximately one hundred Muslims participated in this first Jummah salah. Amongst them were the Prophet’s (SM) relatives from Bani an-Najjar who had come to meet him and some from Bani Amr who had escorted him from Quba.এ অঞ্চলটিকে আজও জুমাহ বলে উল্লেখ করা হয়। The Masjid Al-Juma is where the prophet (peace be upon him) prayed his first Friday congregational after he left the Quba village fo...