সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে ১৭, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আহমদ ইবনে মজিদ: সমুদ্রের সিংহ এবং মুসলিম জাহাজ চালনার ইতিহাস

  আহমদ ইবনে মজিদ (মৃত্যু: ১৫০২) ছিলেন মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত প্রখ্যাত আরব নাবিক, গণিতবিদ ও কার্টোগ্রাফার। ১৪৯০ সালে রচিত তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'কিতাব আল-ফাওয়ায়েদ ফি উসুল ইলম আল-বাহর ওয়া আল-কওয়ায়েদ' (Kitab al-Fawa'id fi Usul 'Ilm al-Bahr wa 'l-Qawa'id) সামুদ্রিক বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হয়ে আছে। তিনি প্রায় ১৪৩২ সালে বর্তমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমার জুলফার (Julfar) অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি নেভিগেশন বা জাহাজ চালনা বিদ্যায় চরম দক্ষতা অর্জন করেন এবং তাঁর অসাধারণ দক্ষতার জন্য তাঁকে "সমুদ্রের সিংহ" (The Lion of the Sea) উপাধিতে ভূষিত করা হয়।ইবনে মজিদ সামুদ্রিক বিজ্ঞানের ওপর প্রায় ৪০টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। এসব বইয়ে তিনি চন্দ্র কক্ষপথ (lunar mansions), রম্ব লাইন (rhumb lines) এবং নক্ষত্রের অবস্থান নির্ণয়ের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল নেভিগেশন টেকনিকগুলো বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। তাঁর এই বৈজ্ঞানিক ও তাত্ত্বিক জ্ঞান মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব আফ্রিকা, ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক রুটগুলোতে আঞ্চলিক ও আন্...

History of the English New Year

In the modern Gregorian calendar and the Julian calendar, the new year begins on January 1. The idea of ​​celebrating the English New Year dates back to 2000 BC. Again, according to many, New Year's celebrations in Rome began in 153 BC. Later, in 46 BC, Emperor Julius Caesar introduced a new calendar. This is the Julian calendar. In Rome, the first day of the year in the Julian calendar is dedicated to the god Janus. Janus is the god of entrance or initiation. The first month of the year is named after him. What we call the English calendar is actually the Gregorian calendar. The ancient Julian calendar was reformed in 1582 by Pope Edom Gregory of Rome. This calendar is known as the Gregorian calendar. The AD (Anno Domini) that is written at the end of the date according to this calendar is an acronym for Latin Anno Domini. This Ano Domini means in the year of the Lord. A Christian pastor named Dionysium Acmeguus introduced the writing sy...

AK-47 Kalashnikov regrets that discovery

Mikhail Kalashnikov is the father of the world's most popular and widely used AK-47 rifle. However, he was deeply remorseful for the discovery of this dangerous weapon. Even before his death in 2013, he knew that he had discovered a lethal weapon that would kill millions of people. Kalashnikov was born on November 10, 1919, in West Siberia. He was born in a very ordinary peasant family. But from his childhood he had a tendency towards new innovations. He left his mark as a teenager by joining the army. He was also recognized as a young inventor in the army for inventing the technology of firing from tanks. He was wounded in the war in 1941. Lying in a hospital bed, he designed an automatic rifle that would be durable in all situations and would be destructive as a firearm. He made AK-47 in about seven years of hard work. The Kalashnikov-designed firearm has been ...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সুফফা ইসলামের প্রথম আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মো.আবু রায়হান:  সুফফা মসজিদে নববির একটি স্থান। যেখানে একদল নিঃস্ব মুহাজির যারা মদিনায় হিজরত করেন এবং বাসস্থানের অভাবে মসজিদে নববির সেই স্থানে থাকতেন।এটি প্রথমদিকে মসজিদ উত্তর-পূর্ব কোণায় ছিল এবং রাসুলের আদেশে এটাকে পাতার ছাউনি দিয়ে ছেয়ে দেয়া হয় তখন থেকে এটি পরিচিতি পায় আল-সুফফা বা আল-জুল্লাহ নামে। ( A Suffah is a room that is covered with palm branches from date trees, which was established next to Al-Masjid al-Nabawi by Islamic prophet Muhammad during the Medina period.)। মোটকথা রাসুল (সা) মসজিদে-নববির চত্ত্বরের এক পাশে আস সুফফা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুফফা হলো ছাদবিশিষ্ট প্রশস্ত স্থান। সুফফার আকৃতি ছিল অনেকটা মঞ্চের মতো, মূল ভূমির উচ্চতা ছিল প্রায় অর্ধমিটার। প্রাথমিক পর্যায়ে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১২ মিটার এবং প্রস্থ ছিল ৮ মিটার। মসজিদে নববির উত্তর-পূর্বাংশে নির্মিত সুফফার দক্ষিণ দিকে ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর স্ত্রীদের অবস্থানের হুজরা এবং সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ছিল মেহরাব।আসহাবে সুফফা অৰ্থ চত্বরবাসী। ঐ সকল মহৎ প্ৰাণ সাহাবি আসহাবে সুফফা নামে পরিচিত, যারা জ্ঞানার্জনের জন্য ভোগবিলাস ত্যা...

খন্দক যুদ্ধ কারণ ও ফলাফল

#মো. আবু রায়হান ইসলামের যুদ্ধগুলোর মধ্যে খন্দকের যুদ্ধ অন্যতম। ৫ হিজরির শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) মদিনায় আসার আগে সেখানে বড় দুটি ইহুদি সম্প্রদায় বসবাস করত। বনু নাজির ও বনু কোরায়জা। ইহুদিদের প্ররোচনায় কুরাইশ ও অন্যান্য গোত্র মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। খন্দকের এই যুদ্ধ ছিল মদিনার ওপরে গোটা আরব সম্প্রদায়ের এক সর্বব্যাপী হামলা এবং কষ্টকর অবরোধের এক দুঃসহ অভিজ্ঞতা। এসময় ২৭দিন ধরে আরব ও ইহুদি গোত্রগুলি মদিনা অবরোধ করে রাখে। পারস্য থেকে আগত সাহাবি সালমান ফারসির পরামর্শে হযরত মুহাম্মদ (স:) মদিনার চারপাশে পরিখা খননের নির্দেশ দেন। প্রাকৃতিকভাবে মদিনাতে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল তার সাথে এই ব্যবস্থা যুক্ত হয়ে আক্রমণ কারীদেরকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। জোটবাহিনী মুসলিমদের মিত্র মদিনার ইহুদি বনু কোরায়জা গোত্রকে নিজেদের পক্ষে আনে যাতে তারা দক্ষিণ দিক থেকে শহর আক্রমণ করে। কিন্তু মুসলিমদের তৎপরতার ফলে তাদের জোট ভেঙে যায়। মুসলিমদের সুসংগঠিত অবস্থা, জোটবাহিনীর আত্মবিশ্বাস হ্রাস ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে শেষপর্যন্ত আক্রমণ ব্যর্থ হয়।এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইসল...

কাবা ঘর নির্মাণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মো. আবু রায়হানঃ কাবা মুসলমানদের কিবলা, অর্থাৎ যে দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে বা সালাত আদায় করে, পৃথিবীর যে স্থান থেকে কাবা যে দিকে মুসলমানগণ ঠিক সে দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করেন। হজ্জ এবং উমরা পালনের সময় মুসলমানগণ কাবাকে ঘিরে তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেন।কাবা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ মুকাআব অর্থ ঘন থেকে।কাবা একটি বড় ঘন আকৃতির ইমারত। (The Kaaba, meaning cube in Arabic, is a square building elegantly draped in a silk and cotton veil.)।যা সৌদি আরবের মক্কা শহরের মসজিদুল হারাম মসজিদের মধ্যখানে অবস্থিত। প্রকৃতপক্ষে মসজিদটি কাবাকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।কাবার ভৌগোলিক অবস্থান ২১.৪২২৪৯৩৫° উত্তর ৩৯.৮২৬২০১৩° পূর্ব।পৃথিবীর সর্বপ্রথম ঘর বায়তুল্লাহ বা পবিত্র কাবা ঘর ।আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্য নির্মিত হয়েছে তা মক্কা নগরীতে। (সুরা আল ইমরান - ৯৬)। “প্রথম মাসজিদ বায়তুল্লাহিল হারাম তারপর বাইতুল মাকদিস, আর এ দুয়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হলো চল্লিশ বছরের”।(মুসলিম- ৫২০)। ভৌগোলিকভাবেই গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপরিচিত নাম। পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি ...