মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
গ্রিসের সবচেয়ে বড় দ্বীপ ক্রিট | ইউরোপের মুল ভূখণ্ড থেকে ক্রিট দ্বীপের দূরত্ব ৯৫ কিলোমিটার; এশিয়া থেকে ১৭৯ কিলোমিটার ও আফ্রিকা থেকে এই দ্বীপের ন্যুনতম দূরত্ব ২৮৪ কিলোমিটার।৮৩৩৬ বর্গ কিলোমিটারের এই দ্বীপে ২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী ক্রিটের জনসংখ্যা ৬,২৩,০৬৫ জন। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে আয়তনের দিক থেকে সিসিলি, সার্ডিনিয়া, সাইপ্রাস ও কর্সিকার পরেই এটি ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পঞ্চম বৃহত্তম দ্বীপ। এখানকার নাগরিকদের বলা হয় ‘ক্রিটান’। গ্রিকের পাশাপাশি এখানে ইংরেজি, জার্মান, ফ্রেঞ্চ ভাষারও চল আছে।দ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও আশপাশের ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে ‘ক্রিট প্রশাসনিক অঞ্চল’ গঠিত। এটি গ্রিসের ১৩টি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলের অন্যতম। এ অঞ্চলের মূল কেন্দ্র বা রাজধানী হেরাক্লিওন।ক্রিটের সবচেয়ে বড় শহর ও প্রশাসনিক কেন্দ্র হল হেরাক্লিওন। গ্রিসের অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে ক্রিটের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। মূল গ্রিক সংস্কৃতি থেকে বেশ কিছুটা স্বতন্ত্র এই দ্বীপের নিজস্ব কাব্য ও সঙ্গীত এই অঞ্চলের আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সুপ্রাচীন মিনোয়ান সভ্যতার (মোটামুটি ২৭০০ - ১৪২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ধাত্রীভূমি এই ...