ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু যুদ্ধ রয়েছে, যা কেবল দুটি সাম্রাজ্যের ভাগ্যই পরিবর্তন করে দেয় না, বরং পুরো পৃথিবীর সভ্যতার গতিপথ বদলে দেয়। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে সংঘটিত ইয়ারমুকের যুদ্ধ এমনই এক যুগান্তকারী অধ্যায়। এই যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমেই ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার জমিনে বাইজেন্টাইন (পূর্ব রোমান) সাম্রাজ্যের আধিপত্য চিরতরে ধসে পড়েছিল। ১. যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে পারস্যের সাসনানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্যের পর উদীয়মান ইসলামী শক্তির সামনে প্রধান পরাশক্তি হিসেবে দাঁড়িয়েছিল বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য। সেই সময় সাম্রাজ্যের নেতৃত্বে ছিলেন সম্রাট হেরাক্লিয়াস (Heraclius)। ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে বাইজেন্টাইনরা সাময়িকভাবে দামেস্ক পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, পরবর্তীতে তারা ইয়ারমুকের মাঠে মূল মুসলিম বাহিনীর মুখোমুখি হয়। যদিও এই যুদ্ধকে সাধারণভাবে ইসলাম ও খ্রিস্টান শক্তির সংঘাত হিসেবে দেখা হয়, তবে সেসময়ের বাস্তবতায় অনেক যোদ্ধা ছিলেন যারা সরাসরি এই দুই ধর্মের কোনোটির সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত ছিলেন না। ২. সংখ্যায় কম, ঈমানে বলীয়ান: কৌশলগত লড়াই ইয়ারমুকের প্রান্তরে বাইজেন্টাইন...
মো. আবু রায়হান: ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দেওয়া বক্তব্যটি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।পঞ্চাশ মিনিটের দীর্ঘ এই বক্তব্যে তিনি চারটি মৌলিক বিষয় নিয়ে কথা বলে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গ্লোবাল ওয়ার্মিং, মানি লন্ডারিং, ইসলামোফোবিয়া ও কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। প্রসঙ্গক্রমে আরো অনেক বিষয় উঠে এসেছে তার বক্তব্যে।ইমরান খান সবচেয়ে বেশি কথা বলেছেন কাশ্মীর নিয়ে।এছাড়া বিজেপির অতীত বর্তমান, মোদীর আমেরিকায় ভিসা বাতিল, পাকিস্তান নিয়ে অপপ্রচার, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। বিশ্বের এই ক্রান্তিলগ্নে ট্রাম্প, নেতানিয়াহু,বরিস জনসন, মোদী ও রুহানীর মতো বিশ্ব নেতাদের ভিড়ে ইমরান খানের বক্তব্য ছিল সবচেয়ে বেশি আলোচিত, সমাদৃত ও দিকনির্দেশনামূলক। তার বক্তব্য যেমন ছিল তথ্যনির্ভর, যুক্তিপূর্ণ তেমনি ছিল কিছু ক্ষেত্রে হাস্যরসাত্মক। তিনি কৌতুকের সুরে বলেন, ভারতের জঙ্গী বিমান বীরত্বপূর্ণভাবে পাকিস্তান সীমান্তে প্রবেশ করে দশটি বৃক্ষ হত্যা করে তখন মুহুর্মুহু করতালি শুরু হয়।ইমরানের বক্তব্যের তৃতীয় পয়েন্টটি ছিল ইসলামোফোব...