মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
মো. আবু রায়হান: ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দেওয়া বক্তব্যটি ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।পঞ্চাশ মিনিটের দীর্ঘ এই বক্তব্যে তিনি চারটি মৌলিক বিষয় নিয়ে কথা বলে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গ্লোবাল ওয়ার্মিং, মানি লন্ডারিং, ইসলামোফোবিয়া ও কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। প্রসঙ্গক্রমে আরো অনেক বিষয় উঠে এসেছে তার বক্তব্যে।ইমরান খান সবচেয়ে বেশি কথা বলেছেন কাশ্মীর নিয়ে।এছাড়া বিজেপির অতীত বর্তমান, মোদীর আমেরিকায় ভিসা বাতিল, পাকিস্তান নিয়ে অপপ্রচার, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। বিশ্বের এই ক্রান্তিলগ্নে ট্রাম্প, নেতানিয়াহু,বরিস জনসন, মোদী ও রুহানীর মতো বিশ্ব নেতাদের ভিড়ে ইমরান খানের বক্তব্য ছিল সবচেয়ে বেশি আলোচিত, সমাদৃত ও দিকনির্দেশনামূলক। তার বক্তব্য যেমন ছিল তথ্যনির্ভর, যুক্তিপূর্ণ তেমনি ছিল কিছু ক্ষেত্রে হাস্যরসাত্মক। তিনি কৌতুকের সুরে বলেন, ভারতের জঙ্গী বিমান বীরত্বপূর্ণভাবে পাকিস্তান সীমান্তে প্রবেশ করে দশটি বৃক্ষ হত্যা করে তখন মুহুর্মুহু করতালি শুরু হয়।ইমরানের বক্তব্যের তৃতীয় পয়েন্টটি ছিল ইসলামোফোব...