১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
মো.আবু রায়হানঃ ১৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় একটি দিন। এইদিনে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ তাঁর জন্মদিন আলাদা তাৎপর্য বহন করছে। কেননা ২০২০ সালে মহান নেতার শততম জন্ম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে সরকারিভাবে নানান কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ১৭ মার্চের মূল অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন বিদেশি অতিথির আগমন ঘটবে। কিন্তু অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশের ইসলামি , বাম ঘরানা দলগুলো ও ডাকসুর ভিপি প্রবল আপত্তি জানিয়েছে ও মোদির আগমন প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে।এর আগেও মোদি বাংলাদেশ সফর করেছেন। তখন এতোটা আপত্তি কেউ করেনি। আচমকা কেন এই প্রতিবাদ ও মোদি বিতর্ক। এসব ঘটনার মূলে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বিজেপি সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে দিল্লীতে বিক্ষোভে মুসলিমদের হত্যা। এর পেছনে নতুন করে আলোচনায় আসছে ২০০২ গুজরাটে হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা মোদির ইন্ধনের বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে মোদির ভূমিকা চরম সাম্প্রদায়িক ও হিন্দুত্ববাদের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। যা সারা বিশ্বের মুসলিমদের মতো বাংলাদেশের মুসলিমদেরও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। মোদির এই ...