গতকালের হামলার পর মুসলিম কয়েক জনের নাম আসায় ও একটি জঙ্গি সংগঠনের দায় স্বীকার করার পর শ্রীলঙ্কার মুসলিমরা আতঙ্কে রয়েছে। শ্রীলঙ্কায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সম্পর্কের ইতিহাস এমনিতেই খুব ভালো না। গত বছর ক্যান্ডি এবং আশপাশের বেশ কিছু শহরে মসজিদ এবং মুসলিম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কট্টর বৌদ্ধদের হামলার পর সাময়িক জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল।ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত শ্রীলঙ্কার মোট আয়তন ৬৫ হাজার ৬১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং ভারত মহাসাগরে এটিই সবচেয়ে বড় দ্বীপ দেশ হিসেবে পরিচিত। ভারত উপমহাদেশ থেকে শ্রীলঙ্কায় ইসলামের বিস্তার ঘটে এবং এ ক্ষেত্রে ইরানি বণিকদের অবদান ছিল। অবশ্য শ্রীলঙ্কায় ইসলাম প্রসারের ক্ষেত্রে ভারতীয় মুসলমানদেরও বড় ভূমিকা ছিল। দেশটির মোট জনসংখ্যার দশ শতাংশই মুসলমান। বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় ১৫শ'টি মসজিদ, ১০০টি কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং ২০০টির মত মাদরাসা বা দ্বীনী শিক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। শ্রীলঙ্কার মুসলিম জনগোষ্ঠী দেশটির গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে।
মো.আবু রায়হান: সুফফা মসজিদে নববির একটি স্থান। যেখানে একদল নিঃস্ব মুহাজির যারা মদিনায় হিজরত করেন এবং বাসস্থানের অভাবে মসজিদে নববির সেই স্থানে থাকতেন।এটি প্রথমদিকে মসজিদ উত্তর-পূর্ব কোণায় ছিল এবং রাসুলের আদেশে এটাকে পাতার ছাউনি দিয়ে ছেয়ে দেয়া হয় তখন থেকে এটি পরিচিতি পায় আল-সুফফা বা আল-জুল্লাহ নামে। ( A Suffah is a room that is covered with palm branches from date trees, which was established next to Al-Masjid al-Nabawi by Islamic prophet Muhammad during the Medina period.)। মোটকথা রাসুল (সা) মসজিদে-নববির চত্ত্বরের এক পাশে আস সুফফা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুফফা হলো ছাদবিশিষ্ট প্রশস্ত স্থান। সুফফার আকৃতি ছিল অনেকটা মঞ্চের মতো, মূল ভূমির উচ্চতা ছিল প্রায় অর্ধমিটার। প্রাথমিক পর্যায়ে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১২ মিটার এবং প্রস্থ ছিল ৮ মিটার। মসজিদে নববির উত্তর-পূর্বাংশে নির্মিত সুফফার দক্ষিণ দিকে ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর স্ত্রীদের অবস্থানের হুজরা এবং সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ছিল মেহরাব।আসহাবে সুফফা অৰ্থ চত্বরবাসী। ঐ সকল মহৎ প্ৰাণ সাহাবি আসহাবে সুফফা নামে পরিচিত, যারা জ্ঞানার্জনের জন্য ভোগবিলাস ত্যা...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন