মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
আরব উপদ্বীপ যা জাজিরাতুল আরব নামেও পরিচিত।জাজিরা আরবি শব্দ যার অর্থ উপদ্বীপ।আরব উপদ্বীপটি তিন দিক সাগর এবং এক দিক স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় আরববাসীরা একে জাজিরাতুল আরব বলে। এটি পশ্চিম এশিয়ার একটি উপদ্বীপ, যা আফ্রিকার উত্তর পূর্বে অবস্থিত। এটি এশিয়া মহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত এবং এটি অঢেল খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ। আরব উপদ্বীপের জল সীমান্তের পশ্চিমে রয়েছে লোহিত সাগর, উত্তর-পূর্বে রয়ছে পারস্য উপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে ভারত মহাসাগর।এই উপদ্বীপে অবস্থিত দেশসমূহের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ও ইয়েমেন ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন