ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু যুদ্ধ রয়েছে, যা কেবল দুটি সাম্রাজ্যের ভাগ্যই পরিবর্তন করে দেয় না, বরং পুরো পৃথিবীর সভ্যতার গতিপথ বদলে দেয়। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে সংঘটিত ইয়ারমুকের যুদ্ধ এমনই এক যুগান্তকারী অধ্যায়। এই যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমেই ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার জমিনে বাইজেন্টাইন (পূর্ব রোমান) সাম্রাজ্যের আধিপত্য চিরতরে ধসে পড়েছিল। ১. যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে পারস্যের সাসনানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্যের পর উদীয়মান ইসলামী শক্তির সামনে প্রধান পরাশক্তি হিসেবে দাঁড়িয়েছিল বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য। সেই সময় সাম্রাজ্যের নেতৃত্বে ছিলেন সম্রাট হেরাক্লিয়াস (Heraclius)। ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে বাইজেন্টাইনরা সাময়িকভাবে দামেস্ক পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, পরবর্তীতে তারা ইয়ারমুকের মাঠে মূল মুসলিম বাহিনীর মুখোমুখি হয়। যদিও এই যুদ্ধকে সাধারণভাবে ইসলাম ও খ্রিস্টান শক্তির সংঘাত হিসেবে দেখা হয়, তবে সেসময়ের বাস্তবতায় অনেক যোদ্ধা ছিলেন যারা সরাসরি এই দুই ধর্মের কোনোটির সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত ছিলেন না। ২. সংখ্যায় কম, ঈমানে বলীয়ান: কৌশলগত লড়াই ইয়ারমুকের প্রান্তরে বাইজেন্টাইন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের ৪০-৫০ দিনের মধ্যে এটি মহামারি আকার ধারণ করেছে।
ইতালিতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার ৪৩তম দিনে আক্রান্তের হার ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এরপর স্পেনে ৫০ দিনের মাথায় এবং আমেরিকার ৫৫তম দিনে করোনা মহামারি আকার ধারণ করে। দিন যত গেছে আক্রান্তের হার ততই বৃদ্ধি পেয়েছে ঐসব দেশে। শুরুতে মৃত্যুর হার কম থাকলেও ধীরে ধীরে তা বাড়তে থাকে। বাংলাদেশে ৮ মার্চ প্রথম তিন জনের দেহে করোনা শনাক্ত করা হয়।সে হিসেবে আজ দেশে করোনা সনাক্তকরণের ২৯ তম দিন চলছে।
২৯তম দিনে এসে পরীক্ষার পরিধি বাড়ানোর পর এক দিনেই নতুন করে ১৮ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ জনে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়ালো।ইতোমধ্যে ৩৩ জন সুস্থ হয়েছেন। সার্বিক দিক বিবেচনায় আগামী দুই সপ্তাহ দেশের জন্য দুঃসময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
#ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন