মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
পর্ব - ২
হাই রিয়া গুড মর্নিং। চোখ বন্ধ কর।
-কেন চোখ বন্ধ করব।
আরে করনা, তোমার জন্য সারপ্রাইজ আছে
-ওকে বাবা করলাম, এবার দাও
এটা কোনো সারপ্রাইজ হলো? এক টাকার চকলেট,
গিফট ইজ গিফট তা যায় হোক না কেন। আজকে চকলেট ডে না রাখ। সকালে ফেসবুকে দেখলাম আজকে চকলেট ডে তাই এ ক্ষুদ্র উপহার।
-ছোটলোক প্রোপোজ ডের পরের দিন এই ছাইপাশ উপহার।
আরে বলো না আজকে দোকানি খুচরা এক টাকা না থাকায় এ চকলেট দিয়েছিল। কি করবো এক ঢিলে দুই পাখি মারলাম আর কি।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন