মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
মো আবু রায়হানঃমুসলিম আলেম ওলামাদের মধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক বহু দিনের। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিভেদও বিস্তর। তবে শর্তাসাপেক্ষে কিছু আলেম ওলামা কুরআন হাদিসের দলিলের ভিত্তিতে জন্মনিয়ন্ত্রণের বৈধতা দিয়ে থাকেন। কুরআন হাদিসে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা, না করার পক্ষে যথেষ্ট দলিলাদি রয়েছে যা তারা প্রমাণ হিসাবে পেশ করে থাকেন। জন্মনিয়ন্ত্রণ বলতে সন্তান সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রত্যাশিত সময়ে গর্ভধারন কে বোঝানো হয়। জন্মনিয়ন্ত্রণের সমার্থক শব্দ হিসেবে গর্ভবিরতিকরণ, গর্ভনিরোধ, প্রজনন নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করা হয়।জন্মনিয়ন্ত্রণের ইংরেজি হলো Birth control।উইকিপিডিয়া মতে Birth control, also known as contraception and fertility control, is a method or device used to prevent pregnancy.গর্ভধারণ প্রতিরোধের এক বা একাধিক কর্মপ্রক্রিয়া, পদ্ধতি, সংযমিত যৌনচর্চা অথবা ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে ঐচ্ছিকভাবে গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসব থেকে বিরত থাকার স্বাস্থ্যবিধিই হলো জন্ম নিয়ন্ত্রণ। ইতিহাস ঘেটে পাওয়া যায় সর্বপ্রথম ৫০০০ -৩২০০ খ্রি.পূর্বে মিসরীয় সভ্যতায় জন্মনিয়ন্ত্র...