সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

তুমি কি সুন্দরী নও? তাহলে ঘোমটা খোলো!”—আলজেরিয়ায় ফরাসি ঔপনিবেশিক প্রচারণা, নারী ও প্রতিরোধের রাজনীতি

  “Are you not pretty? Unveil yourself!”— একটি প্রচারপোস্টারের এই বাক্য আজ আলজেরিয়ার ঔপনিবেশিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত প্রতীক। প্রথম দর্শনে এটি যেন নারীমুক্তি , সৌন্দর্য ও আধুনিকতার আহ্বান। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে প্রবেশ করলে দেখা যায় , এই ধরনের প্রচারণা ছিল ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের বৃহত্তর সাংস্কৃতিক ও মনস্তাত্ত্বিক রাজনীতির অংশ। আলজেরিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের (১৯৫৪ – ১৯৬২) সময় ফরাসি কর্তৃপক্ষ আলজেরীয় সমাজের সাংস্কৃতিক কাঠামোকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছিল নারীদের পোশাক — বিশেষত ঐতিহ্যবাহী হাইক ( haïk) ও পর্দা। ফরাসি ঔপনিবেশিক প্রচারণায় পর্দাকে অনেক সময় আলজেরীয় নারীর “ অবদমন ” ও “ পশ্চাৎপদতার ” প্রতীক হিসেবে দেখানো হতো। বিপরীতে , পর্দা সরানোকে উপস্থাপন করা হতো “ মুক্তি ”, “ আধুনিকতা ” ও “ সভ্যতার ” প্রতীক হিসেবে। কিন্তু এই প্রচারণার অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল আরও গভীর। প্রশ্নটি ছিল শুধু — একজন নারী কী পোশাক পরবেন ? বরং প্রশ্নটি হয়ে উঠেছিল — আলজেরীয় সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় কে নির্ধারণ করবে ? ঔপনিবেশিক শাসনের চোখে “ আলজেরীয় নারী ” ফ্রান্স ১৮৩০ সালে আলজে...

শাহ মসজিদ ইসফাহান, ইরান

১৮৪১ খ্রিস্টাব্দ মসজিদটি সাফাভিদ রাজবংশের শাহ আব্বাস প্রথম ১৬২৯ সালে নির্মাণ করেছিলেন। ১৮৪১ সালে পারস্য সফরকারী ফরাসি স্থপতি পাস্কাল কস্টের আঁকা ছবি।

মক্কা মদিনার প্রথম ছবি

পবিত্র মদিনা নগরী এবং মসজিদে নববীর মনোরম দৃশ্য, ১২৯৭ হিজরি বা ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দ।সুলতান আব্দুল হামিদ দ্বিতীয়ের রাজত্বকালে মিশরে জন্মগ্রহণকারী একজন আলোকচিত্রী মুহাম্মদ সাদিক বে ১২৯৭ হিজরি বা ১৮৮০ সালে এটির ছবি তোলেন।সাদিক বে ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি মক্কা, মদিনা এবং হজের ছবি তোলেন। একজন মিশরীয় সেনাবাহিনীর প্রকৌশলী এবং জরিপকারী হিসেবে তিনি মিশরীয় হজ কাফেলার কোষাধ্যক্ষও ছিলেন, বহুবার হিজাজে ভ্রমণ করেছিলেন। 

বিশ্বের প্রাচীনতম সমাধিস্থলগুলির মধ্যে একটি

  নতুন রাস্তাঘাট এবং আধুনিক অবকাঠামো প্রকল্পের পথ প্রশস্ত করার জন্য মিশর কায়রোর ১,২০০ বছরের পুরনো আল-কারাফা কবরস্থানের কিছু অংশ ভেঙে ফেলছে - যা বিশ্বের প্রাচীনতম সমাধিস্থলগুলির মধ্যে একটি।

আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল

১৯৩৮ সালের ২১শে এপ্রিল, বিখ্যাত মুসলিম চিন্তাবিদ, দার্শনিক এবং বিখ্যাত উর্দু ও ফার্সি কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল ব্রিটিশ ভারতের লাহোরে মৃত্যুবরণ করেন। তার কর্মজীবন জুড়ে, ইকবাল বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক পুনরুজ্জীবনের উপর লেখেন এবং বক্তৃতা প্রদান করেন। ১৯২৮-২৯ সালে মাদ্রাজ (বর্তমানে চেন্নাই), হায়দ্রাবাদ এবং আলীগড়ে তিনি যে ছয়টি বক্তৃতা দিয়েছিলেন তা ১৯৩৪ সালে The Reconstruction of Religious Thought in Islam (দ্য রিকনস্ট্রাকশন অফ রিলিজিয়াস থট ইন ইসলাম) নামে প্রকাশিত হয়েছিল। ইকবালের ইসলামিক স্টাডিজে, বিশেষ করে তাসাউফ (সুফিবাদ) -এর প্রতি বিশেষ আগ্রহ ছিল। তাঁর থিসিস, The Development of Metaphysics in Persia, (দ্য ডেভেলপমেন্ট অফ মেটাফিজিক্স ইন পারস্য) ইউরোপে পূর্বে অজানা ইসলামি রহস্যবাদের (তাসাউফ) কিছু দিক প্রকাশ করে।

মাদরাসাতুল মুসতানসিরিয়া বাগদাদ

  বাগদাদের  মুসতানসিরিয়া মাদ্রাসা  মাদরাসাতুল মুসতানসিরিয়া হলো বাগদাদের অবস্থিত মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মাদ্রাসা । আব্বাসি খলিফা আল মুস্তানসির ১২২৭ সালে এটি নির্মাণ করেছিলেন। বাগদাদ শহরে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পৃষ্ঠপোষকতার প্রতি খিলাফতের অঙ্গীকারের প্রতীক ছিল এটি। এটি দজলা নদীর বাম তীরে অবস্থিত। মোঙ্গলদের বাগদাদ অবরোধের সময় মাদ্রাসাটি টিকে যায়। এর অন্তর্ভুক্ত দালানের মধ্যে আছে সরাই সুক, বাগদাদের জাদুঘর, মুসতানাব্বি স্ট্রিট, আব্বাসীয় প্রাসাদ এবং খলিফার সড়ক। মাদরাসাতুল মুসতানসিরিয়া র গ্রন্থাগারে প্রাথমিকভাবে ৮০,০০০ গ্রন্থ ছিল। খলিফা এগুলো দান করেন। বলা হয় যে সংগ্রহের পরিমাণ ৪,০০,০০০ এ পৌছায়। মোঙ্গল আক্রমণের সময় গ্রন্থাগারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ১৩৯৩ সালে এটি নিজামিয়া মাদ্রাসার সাথে একীভূত হয়। ১৫৩৪ সালে উসমানীয়রা বাগদাদ দখল করলে প্রাসাদ ও গ্রন্থাগারের বইগুলো যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হিসেবে নিয়ে যায়। এগুলো ইস্তানবুলের রাজকীয় গ্রন্থাগারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠে এবং মুসতানসিরিয়া বন্ধ হয়ে যায়। ১২৩৫ সালে পানির শক্তি ব্যবহার করে দিনে ও রাতে নামাজের সময় জানানোর জন্...

মসজিদ থেকে মন্দির

  ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের একজন সেনাপতি মীর বাকি ১৫২৯ সালে ‘বাবরি মসজিদ’ তৈরি করেন। ১৮২২ সালে প্রথমবারের মত ফৈজাবাদ আদালতের এক চাকরিজীবী দাবি করেন যে, মসজিদটি যে মন্দিরের জমির উপরে অবস্থিত। নির্মোহী আখড়া সংগঠন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ঐ জমির উপরে তাদের দাবি জানায়। ১৮৫৫ সালে ঐ ভূখণ্ডের দখল নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা।১৮৫৯ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক প্রশাসন সংঘর্ষ এড়াতে দেয়াল দিয়ে হিন্দু ও মুসলমানদের প্রার্থনার জায়গা আলাদা করে দেয়। ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক মতই চলছিল।ভারত স্বাধীনতা পাওয়ার ঠিক বছর দুয়েকের মাথায় ১৯৪৯ সালে মসজিদের ভেতরে হঠাৎ একদিন সকালে রহস্যময়ভাবে ‘রামলালা’র (শিশু রামচন্দ্র) মূর্তি আবিষ্কৃত হয়। তারিখটা ছিল ২২শে ডিসেম্বর, ১৯৪৯ মধ্যরাতের পর। হিন্দু মহাসভার সদস্যদের মসজিদের অভ্যন্তরে রাম মূর্তি স্থাপন করার অভিযোগে দুই পক্ষের মাঝে সৃষ্টি হয় উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তারা আইনের আশ্রয় নেয়। স্থানীয় মুসলিমরা অবশ্য অভিযোগ করেন রাতের অন্ধকারে গোপনে মসজিদের ভেতরে ওই মূর্তিটি রেখে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু রামলালার ‘আবির্ভাবে’র খবর ততক্ষণে দিকে দি...

রামমন্দির হলেও মসজিদের কাজ শুরু হয়নি

  ২০১৯ সালে অযোধ্যা মামলায় রায় দেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়, অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা বেআইনি ছিল। তবে আদালতে যেসব প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে এটা বোঝা যাচ্ছে মসজিদের জায়গায় একটি অ-ইসলামিক স্থাপনা ছিল। তাই মসজিদের জায়গাটিকে একটি ট্রাস্টকে দেওয়া যেতে পারে এবং সেখানে একটি রাম মন্দির তৈরি করা যেতে পারে।আর উত্তর প্রদেশের সুন্নি ওয়াকপ বোর্ডকে বলা হয়, অযোধ্যায় মসজিদ নির্মাণের জন্য তাদের পাঁচ একর জমি দেওয়া হবে। যেখানে তারা নতুন করে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে পারবেন। মসজিদ নির্মাণ কাজের দেখভাল করার দায়িত্ব দেওয়া হয় ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশনকে (আইআইসিএফ)। সুপ্রিম কোর্টের রায় আসার কয়েক মাসের মধ্যেই ১৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে রাম মন্দির নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে যায়।মন্দির নির্মাণের জন্য আনুমানিক ১৮০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর প্রাঙ্গনটি ৭০ একর জুড়ে বিস্তৃত, মূল মন্দির রয়েছে ৭.২ একর জায়গা জুড়ে। তিন তলা মন্দির গড়া হয়েছে গোলাপি বেলেপাথর দিয়ে, নিচের দিকে রয়েছে কালো গ্রানাইট পাথর। প্রায় ৭০ হাজার স্কোয়ার ফুট জুড়ে ধবধবে সাদা মার্বেল পাথর পাতা হয়েছে। মার্বেল পাথরের বেদিতে বসানো হবে ৫...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সুফফা ইসলামের প্রথম আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মো.আবু রায়হান:  সুফফা মসজিদে নববির একটি স্থান। যেখানে একদল নিঃস্ব মুহাজির যারা মদিনায় হিজরত করেন এবং বাসস্থানের অভাবে মসজিদে নববির সেই স্থানে থাকতেন।এটি প্রথমদিকে মসজিদ উত্তর-পূর্ব কোণায় ছিল এবং রাসুলের আদেশে এটাকে পাতার ছাউনি দিয়ে ছেয়ে দেয়া হয় তখন থেকে এটি পরিচিতি পায় আল-সুফফা বা আল-জুল্লাহ নামে। ( A Suffah is a room that is covered with palm branches from date trees, which was established next to Al-Masjid al-Nabawi by Islamic prophet Muhammad during the Medina period.)। মোটকথা রাসুল (সা) মসজিদে-নববির চত্ত্বরের এক পাশে আস সুফফা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুফফা হলো ছাদবিশিষ্ট প্রশস্ত স্থান। সুফফার আকৃতি ছিল অনেকটা মঞ্চের মতো, মূল ভূমির উচ্চতা ছিল প্রায় অর্ধমিটার। প্রাথমিক পর্যায়ে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১২ মিটার এবং প্রস্থ ছিল ৮ মিটার। মসজিদে নববির উত্তর-পূর্বাংশে নির্মিত সুফফার দক্ষিণ দিকে ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর স্ত্রীদের অবস্থানের হুজরা এবং সংলগ্ন পশ্চিম পাশে ছিল মেহরাব।আসহাবে সুফফা অৰ্থ চত্বরবাসী। ঐ সকল মহৎ প্ৰাণ সাহাবি আসহাবে সুফফা নামে পরিচিত, যারা জ্ঞানার্জনের জন্য ভোগবিলাস ত্যা...

খন্দক যুদ্ধ কারণ ও ফলাফল

#মো. আবু রায়হান ইসলামের যুদ্ধগুলোর মধ্যে খন্দকের যুদ্ধ অন্যতম। ৫ হিজরির শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) মদিনায় আসার আগে সেখানে বড় দুটি ইহুদি সম্প্রদায় বসবাস করত। বনু নাজির ও বনু কোরায়জা। ইহুদিদের প্ররোচনায় কুরাইশ ও অন্যান্য গোত্র মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। খন্দকের এই যুদ্ধ ছিল মদিনার ওপরে গোটা আরব সম্প্রদায়ের এক সর্বব্যাপী হামলা এবং কষ্টকর অবরোধের এক দুঃসহ অভিজ্ঞতা। এসময় ২৭দিন ধরে আরব ও ইহুদি গোত্রগুলি মদিনা অবরোধ করে রাখে। পারস্য থেকে আগত সাহাবি সালমান ফারসির পরামর্শে হযরত মুহাম্মদ (স:) মদিনার চারপাশে পরিখা খননের নির্দেশ দেন। প্রাকৃতিকভাবে মদিনাতে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল তার সাথে এই ব্যবস্থা যুক্ত হয়ে আক্রমণ কারীদেরকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। জোটবাহিনী মুসলিমদের মিত্র মদিনার ইহুদি বনু কোরায়জা গোত্রকে নিজেদের পক্ষে আনে যাতে তারা দক্ষিণ দিক থেকে শহর আক্রমণ করে। কিন্তু মুসলিমদের তৎপরতার ফলে তাদের জোট ভেঙে যায়। মুসলিমদের সুসংগঠিত অবস্থা, জোটবাহিনীর আত্মবিশ্বাস হ্রাস ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে শেষপর্যন্ত আক্রমণ ব্যর্থ হয়।এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ইসল...

কাবা ঘর নির্মাণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মো. আবু রায়হানঃ কাবা মুসলমানদের কিবলা, অর্থাৎ যে দিকে মুখ করে নামাজ পড়ে বা সালাত আদায় করে, পৃথিবীর যে স্থান থেকে কাবা যে দিকে মুসলমানগণ ঠিক সে দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করেন। হজ্জ এবং উমরা পালনের সময় মুসলমানগণ কাবাকে ঘিরে তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেন।কাবা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ মুকাআব অর্থ ঘন থেকে।কাবা একটি বড় ঘন আকৃতির ইমারত। (The Kaaba, meaning cube in Arabic, is a square building elegantly draped in a silk and cotton veil.)।যা সৌদি আরবের মক্কা শহরের মসজিদুল হারাম মসজিদের মধ্যখানে অবস্থিত। প্রকৃতপক্ষে মসজিদটি কাবাকে ঘিরেই তৈরি করা হয়েছে।কাবার ভৌগোলিক অবস্থান ২১.৪২২৪৯৩৫° উত্তর ৩৯.৮২৬২০১৩° পূর্ব।পৃথিবীর সর্বপ্রথম ঘর বায়তুল্লাহ বা পবিত্র কাবা ঘর ।আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্য নির্মিত হয়েছে তা মক্কা নগরীতে। (সুরা আল ইমরান - ৯৬)। “প্রথম মাসজিদ বায়তুল্লাহিল হারাম তারপর বাইতুল মাকদিস, আর এ দুয়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হলো চল্লিশ বছরের”।(মুসলিম- ৫২০)। ভৌগোলিকভাবেই গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে কাবার অবস্থান। ইসলামের রাজধানী হিসেবে কাবা একটি সুপরিচিত নাম। পৃথিবীতে মাটির সৃষ্টি ...