ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু যুদ্ধ রয়েছে, যা কেবল দুটি সাম্রাজ্যের ভাগ্যই পরিবর্তন করে দেয় না, বরং পুরো পৃথিবীর সভ্যতার গতিপথ বদলে দেয়। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে সংঘটিত ইয়ারমুকের যুদ্ধ এমনই এক যুগান্তকারী অধ্যায়। এই যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমেই ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার জমিনে বাইজেন্টাইন (পূর্ব রোমান) সাম্রাজ্যের আধিপত্য চিরতরে ধসে পড়েছিল। ১. যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে পারস্যের সাসনানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্যের পর উদীয়মান ইসলামী শক্তির সামনে প্রধান পরাশক্তি হিসেবে দাঁড়িয়েছিল বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য। সেই সময় সাম্রাজ্যের নেতৃত্বে ছিলেন সম্রাট হেরাক্লিয়াস (Heraclius)। ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে বাইজেন্টাইনরা সাময়িকভাবে দামেস্ক পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, পরবর্তীতে তারা ইয়ারমুকের মাঠে মূল মুসলিম বাহিনীর মুখোমুখি হয়। যদিও এই যুদ্ধকে সাধারণভাবে ইসলাম ও খ্রিস্টান শক্তির সংঘাত হিসেবে দেখা হয়, তবে সেসময়ের বাস্তবতায় অনেক যোদ্ধা ছিলেন যারা সরাসরি এই দুই ধর্মের কোনোটির সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত ছিলেন না। ২. সংখ্যায় কম, ঈমানে বলীয়ান: কৌশলগত লড়াই ইয়ারমুকের প্রান্তরে বাইজেন্টাইন...
একদিন ইতিহাস লিখবে মিশরে নীল নদ ছিল। কিন্তু গাজার জনগণ পিপাসার্ত হয়ে মারা গিয়েছিল... ইতিহাস লিখবে যে, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল সমুদ্র রয়েছে। কিন্তু গাজায় অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জ্বালানী নেই... ইতিহাস লিখবে যে, আরবদের ৪ মিলিয়ন সৈন্য রয়েছে। কিন্তু গাজার জনগণকে রক্ষায় একজন সৈন্যকেও প্রবেশ করাতে পারেনি। ইতিহাস লিখবে যে, সৌদি আরব বিনোদন এবং পার্টির জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। কিন্তু গাজায় রুটি ও খাবার পানি ছিল না... এবং ইতিহাস লিখবে যে পাকিস্তান ইসলামের নামে তৈরি হয়েছিল এবং তারা গাজায় তাদের ভাইদের সাহায্য করার জন্য কিছুই করেনি... নীরব থাকার জন্য জবাবদিহিতা থাকবে...এই পৃথিবীতে এবং চূড়ান্ত বিচারের দিনে!
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন