মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
লেখক এবং বুদ্ধিজীবী শ্রদ্ধেয় আহমদ ছফার জীবনের শেষদিকের একটি ছবি, অসুস্থ থাকাকালীন তাঁর ভাড়া বাসায়।
"তিনি আমৃত্যু অর্থসংকটে নিপতিত হয়েছেন অগণিতবার। এমনকি, তিনি মারা যাওয়ার সময় তাঁর ছ'মাসের বাড়িভাড়া বাকি ছিলো" - স্যার সলিমুল্লাহ খান।
একালের বুদ্ধিজীবীদের কথা না হয় বাদই দিলাম। মিলিয়ে নেন।আহমদ ছফা ১৯৭২ সালে বলেছিলেন, ‘‘একাত্তরে বুদ্ধিজীবীরা যা বলেছিলেন, তা শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না৷ আর এখন যা বলেন, তা শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়াতে পারবে না৷’’ (বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই বুদ্ধিজীবীদের কথা তেমন আমলে নেওয়া হয়নি, এটাও সত্য)৷ মার্কসবাদী রুশ বিপ্লবী নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন রুশ সাহিত্যিক ম্যাক্সিম গোর্কিকে লেখা চিঠিতে বুর্জোয়া শ্রেণির বুদ্ধিজীবীদের তুলনা করেছিলেন ‘বিষ্ঠা’র সঙ্গে৷ বলেছিলেন, এরা পুঁজির পা চাটা, এরা জাতির মগজ নয়, জাতির বিষ্ঠা৷ কম্বোডিয়ার খেমাররুজ নেতা পলপট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, লেখক-বুদ্ধিজীবীদের শহর থেকে তাড়িয়ে গ্রামে কৃষি খামারে কাজ করতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন৷
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন