ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু যুদ্ধ রয়েছে, যা কেবল দুটি সাম্রাজ্যের ভাগ্যই পরিবর্তন করে দেয় না, বরং পুরো পৃথিবীর সভ্যতার গতিপথ বদলে দেয়। ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে সংঘটিত ইয়ারমুকের যুদ্ধ এমনই এক যুগান্তকারী অধ্যায়। এই যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমেই ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার জমিনে বাইজেন্টাইন (পূর্ব রোমান) সাম্রাজ্যের আধিপত্য চিরতরে ধসে পড়েছিল। ১. যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধে পারস্যের সাসনানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্যের পর উদীয়মান ইসলামী শক্তির সামনে প্রধান পরাশক্তি হিসেবে দাঁড়িয়েছিল বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য। সেই সময় সাম্রাজ্যের নেতৃত্বে ছিলেন সম্রাট হেরাক্লিয়াস (Heraclius)। ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে বাইজেন্টাইনরা সাময়িকভাবে দামেস্ক পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, পরবর্তীতে তারা ইয়ারমুকের মাঠে মূল মুসলিম বাহিনীর মুখোমুখি হয়। যদিও এই যুদ্ধকে সাধারণভাবে ইসলাম ও খ্রিস্টান শক্তির সংঘাত হিসেবে দেখা হয়, তবে সেসময়ের বাস্তবতায় অনেক যোদ্ধা ছিলেন যারা সরাসরি এই দুই ধর্মের কোনোটির সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত ছিলেন না। ২. সংখ্যায় কম, ঈমানে বলীয়ান: কৌশলগত লড়াই ইয়ারমুকের প্রান্তরে বাইজেন্টাইন...
করিম বেনজেমা বলেন, আমার এখনও ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের কথা মনে আছে। খেলাটি রমজান মাসে ছিল। আমি বসেছিলাম এবং ভেবেছিলাম যে এটি লিভারপুলের বিপক্ষে একটি শক্তি পরীক্ষার ম্যাচ এবং আমাকে অবশ্যই ১০০% প্রস্তুত থাকতে হবে। তাই আমি রোজা না রাখার সিদ্ধান্ত নেই। আমি হোটেলে ছিলাম। রোনালদো আমার রুমের দরজায় এসে টোকা দিল। দরজা খুলে আমি রোনালদোর হাতে খাবারের প্লেট এবং পানির বোতল দেখতে পেলাম। সে আমাকে বলল এটা তোমার সাহরি।তুমি রোজা ভাঙ্গবে না। আমি ম্যাচে মনোযোগ দেব আর তুমি তোমার রোজা রাখবে।
এই সেই রোনালদো যিনি এখন রাজনীতির শিকার।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন