ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে মরক্কো। এরপরই শুরু হয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিক্রিয়া।
এক টুইটবার্তায় ওজিল লেখেন, ‘আমি গর্বিত। কী দারুণ দল ‘মরক্কো’, আফ্রিকা ও মুসলিম বিশ্বের জন্য কী দারুণ অর্জন।’ তিনি আরো লেখেন, ‘আধুনিক ফুটবলে এমন রূপকথার ঘটনা দেখতে পাওয়া দারুণ। এটি অনেককে আশা ও শক্তি জোগাবে।’
মরক্কোর জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।এরদোগান অভিনন্দন জানিয়ে টুইটারে লেখেন, ‘আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করায় আমি অন্তরের গভীর থেকে মরক্কো জাতীয় ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। একইসাথে এই অর্জনে আমাদের মরক্কান সকল ভাইদের প্রতিও শুভেচ্ছা।’
বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফা এটিকে ‘দুর্দান্ত এক ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক অর্জন’ উল্লেখ করে মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মেদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি এ উপলক্ষে মরক্কোর বাদশাহ মোহাম্মদ ষষ্ঠকে ফোন করেন এবং কাতারে চলমান বিশ্বকাপে তার দেশ সেমিফাইনাল নিশ্চিত করায় তাকে বিশেষ অভিনন্দন জানান।
শাদের প্রেসিডেন্ট মাহামাত ইদ্রিস দেবি টুইটারে লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিক ও অসামান্য! ২০২২ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে অ্যাটলাস লায়ন্সের জায়গা করে নেওয়া সমগ্র আফ্রিকারই সাফল্য। গ্র্যান্ড ফিনালেতে আফ্রিকার প্রতিনিধিদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন থাকবে। আফ্রিকা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, হ্যাঁ তা সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
টুইট বার্তায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপে শক্তিশালী পর্তুগালের বিপক্ষে জয়ের জন্য মরক্কোকে অভিনন্দন। প্রথমবার একটি আরব, আফ্রিকান এবং একটি মুসলিম দল ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে। পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য তাদের সাফল্য কামনা করছি।’
টুইটারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মাদ বিন রাশিদ, ‘বিশ্বকাপে মরক্কোর চেয়ে জোরাল কণ্ঠস্বর আর কারও নেই!’ ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মেদ শিয়া আল-সুদানি টুইটে লিখেছেন, ‘আমরা আমাদের ভাইদের আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছি।’ ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী শাতায়েহ মরক্কোর সাফল্যকে ‘ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে স্বাগত জানিয়েছেন, ‘আরবরা যখন আনন্দ করে তখন আমরাও আনন্দ করি।’
পৃথক টুইটে মরক্কোকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লিবিয়ার প্রধানমন্ত্রী আব্দুলহামিদ আল-দিবিবাহ ও জর্ডানের যুবরাজ হুসেইন এবং ইরান, মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মরক্কোর জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শাকিরা। টুইটারে তিনি তার বিখ্যাত ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানের প্রথম অংশ লেখেন। এর শুরুতে গানের পরের অংশ ‘দিস টাইম ফর আফ্রিকা’
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন