ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
ভারতের বিহার রাজ্যের নওদা জেলার একটি নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর প্রাচীন মসজিদের দেখা মিলেছে। মসজিদটি ৩০ বছর আগে একটি বাঁধ নির্মাণের কারণে নদীর পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর মসজিদটিকে এখনো তার পূর্বের অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। যা দেখার জন্য প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিড় জমাচ্ছে।
মসজিদটি প্রায় ৩০ ফুট উঁচু এবং উপরে অলঙ্কৃত গম্বুজ রয়েছে। এলাকার প্রবীণ মানুষেরা মসজিদটিকে নূরী মসজিদ হিসাবে স্মরণ করছে। অনেকে মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে ঐতিহাসিক মসজিদটি সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় দেখে অবাক হচ্ছেন। সবাই এটা দেখে বিস্মিত যে তিন দশক ধরে পানিতে ডুবে থাকার পরেও মসজিদটির সুন্দর কাঠামোর সামান্যতম কোনো ক্ষতি হয়নি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন