মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতকাল ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম একটি স্থানীয় ধর্মীয় আন্দোলন থেকে আঞ্চলিক শক্তিতে রূপ নেয়। মদিনা থেকে শুরু করে এই আন্দোলন কূটনীতি, চুক্তি এবং সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সমগ্র আরব উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ে। মূল দিকসমূহ: রাজনৈতিক ঐক্য: আরবের বিভিন্ন গোত্র ইসলামের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব মেনে নেয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের আন্তঃগোত্রীয় দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র: মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি সুসংহত ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান: এই নবগঠিত রাষ্ট্রটি এমন এক সময়ে গঠিত হয়েছিল যখন এর পশ্চিমে বাইজেন্টাইন (রোমান) সাম্রাজ্য এবং পূর্বে সাসানীয় (পারস্য) সাম্রাজ্য অবস্থান করছিল—উভয় সাম্রাজ্যই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মানচিত্র (Map Overview) ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের বিস্তৃতি বোঝাতে সাধারণত যে ঐতিহাসিক মানচিত্রগুলো (যেমন: আল মুকাদ্দামা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক ম্যাপ) ব্যবহার করা হয়, তাতে নিম্নলিখিত ভৌগোলিক সীমানা দেখা যায়: সবুজ বা নির্দিষ্ট রঙে চিহ্নিত এলাকা: সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ (মক্কা, মদিনা,...
রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৭৯ সালের ইরানী বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন। যা তৎকালীন পাহলভি রাজবংশের মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভিকে উৎখাত করেছিল। এভাবে তিনি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর সর্বোচ্চ নেতা হন।
১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে পাহলভি রাজবংশের শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি সংসদ স্থগিত করেন এবং শ্বেত বিপ্লব নামে পরিচিত একটি আক্রমণাত্মক আধুনিকীকরণ কর্মসূচি চালু করেন। খোমেনিই ছিলেন শাহের কর্মসূচী এবং তার শাসনামলের দুর্নীতির একজন স্পষ্টবাদী সমালোচক। যার জন্য খোমেনিকে ১৯৬৩ সালে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল। এক বছরের কারাবাসের পর, খোমেনিকে ৪ নভেম্বর, ১৯৬৪ সালে ইরান থেকে জোরপূর্বক নির্বাসিত করা হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত ১৯৭৯ সালে জানুয়ারিতে যখন শাহ দেশ ছাড়তে বাধ্য হন, খোমেনী দেশে ফেরার সুযোগ পান এবং ফিরেই ২৫০০ বছরের পুরনো পারসিক রাজতন্ত্রের উপড়ে ফেলেন। বিপ্লবের পর খোমেইনী ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সংবিধান মোতাবেক জাতির সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব বহনকারী সর্বোচ্চ নেতার পদে অধিষ্ঠিত হন এবং আমৃত্যু এই দায়িত্ব পালন করেন।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন