মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতকাল ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম একটি স্থানীয় ধর্মীয় আন্দোলন থেকে আঞ্চলিক শক্তিতে রূপ নেয়। মদিনা থেকে শুরু করে এই আন্দোলন কূটনীতি, চুক্তি এবং সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সমগ্র আরব উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ে। মূল দিকসমূহ: রাজনৈতিক ঐক্য: আরবের বিভিন্ন গোত্র ইসলামের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব মেনে নেয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের আন্তঃগোত্রীয় দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র: মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি সুসংহত ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান: এই নবগঠিত রাষ্ট্রটি এমন এক সময়ে গঠিত হয়েছিল যখন এর পশ্চিমে বাইজেন্টাইন (রোমান) সাম্রাজ্য এবং পূর্বে সাসানীয় (পারস্য) সাম্রাজ্য অবস্থান করছিল—উভয় সাম্রাজ্যই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মানচিত্র (Map Overview) ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের বিস্তৃতি বোঝাতে সাধারণত যে ঐতিহাসিক মানচিত্রগুলো (যেমন: আল মুকাদ্দামা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক ম্যাপ) ব্যবহার করা হয়, তাতে নিম্নলিখিত ভৌগোলিক সীমানা দেখা যায়: সবুজ বা নির্দিষ্ট রঙে চিহ্নিত এলাকা: সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ (মক্কা, মদিনা,...
১৮৭৬ সালের ৩১ আগস্ট এই দিনে ৩৪তম অটোমান সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ সিংহাসনে আরোহণ করেন।
সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদকে আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যদিও তিনি রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। তিনি তার সাম্রাজ্য জুড়ে বেশ কিছু বড় বড় উন্নয়ন এবং পরিবর্তন এনেছিলেন।
দ্বিতীয় সুলতান আবদুল হামিদ তুরস্কের অবকাঠামোগত ও সাংস্কৃতিক আধুনিকায়নকে উৎসাহিত করেন। তাঁর শাসনামলে, উসমানীয় আমলাতন্ত্র যৌক্তিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছিল যেখানে সিভিল সার্ভিসে ভর্তির পাশাপাশি পদোন্নতির প্রক্রিয়াগুলো পরীক্ষা এবং নিয়মের মতো বস্তুনিষ্ঠ মানদণ্ডের মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল।
আবদুল হামিদের আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত আধুনিক তুরস্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিল; তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতারা দ্বিতীয় আবদুল হামিদ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন।
সুলতান আব্দুল হামিদ ছিলেন উম্মাহ দরদি মুসলিম বিশ্বের খলিফা যাকে ইহুদিরা বায়তুল মুকাদ্দাস হস্তান্তরের জন্য ১৫০ মিলিয়ন পাউন্ড দিতে চেয়েছিল কিন্তু তিনি মুসলিম বিশ্বের একচুল মাটি ছাড়তেও রাজি হননি।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন