১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
২৩ সেপ্টেম্বর এই দিনটিকে সৌদিরা জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে। এদিন সারাদেশ জুড়ে লোককাহিনী নাচ, গান এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সাথে উদযাপন করা হয়।
২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ সালে বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের একটি রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে নেজদ এবং হেজাজের দুটি রাজ্য একত্রিত হয় এবং সৌদ বংশের নামানুসারে সৌদি আরবের নামকরণ করা হয়। এভাবে আবদুল আজিজ সৌদি আরবের প্রথম বাদশাহ হন।
হুসেইন বিন আলী যখন ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন তখন তিনি হেজাজের হাশিমীয় রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
১৯২৫-২৬ সাল নাগাদ সৌদ বংশ হাশিমীয়দের পরাজিত করে হেজাজ দখল করে। অবশেষে হেজাজ এবং নেজদ রাজ্য ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৩২ সালে এ দুটি রাজ্য একত্রিত হয়ে আধুনিক সৌদি আরব প্রতিষ্ঠিত হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন