মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতকাল ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম একটি স্থানীয় ধর্মীয় আন্দোলন থেকে আঞ্চলিক শক্তিতে রূপ নেয়। মদিনা থেকে শুরু করে এই আন্দোলন কূটনীতি, চুক্তি এবং সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সমগ্র আরব উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ে। মূল দিকসমূহ: রাজনৈতিক ঐক্য: আরবের বিভিন্ন গোত্র ইসলামের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব মেনে নেয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের আন্তঃগোত্রীয় দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র: মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি সুসংহত ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান: এই নবগঠিত রাষ্ট্রটি এমন এক সময়ে গঠিত হয়েছিল যখন এর পশ্চিমে বাইজেন্টাইন (রোমান) সাম্রাজ্য এবং পূর্বে সাসানীয় (পারস্য) সাম্রাজ্য অবস্থান করছিল—উভয় সাম্রাজ্যই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মানচিত্র (Map Overview) ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের বিস্তৃতি বোঝাতে সাধারণত যে ঐতিহাসিক মানচিত্রগুলো (যেমন: আল মুকাদ্দামা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক ম্যাপ) ব্যবহার করা হয়, তাতে নিম্নলিখিত ভৌগোলিক সীমানা দেখা যায়: সবুজ বা নির্দিষ্ট রঙে চিহ্নিত এলাকা: সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ (মক্কা, মদিনা,...
২৩ সেপ্টেম্বর এই দিনটিকে সৌদিরা জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে। এদিন সারাদেশ জুড়ে লোককাহিনী নাচ, গান এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সাথে উদযাপন করা হয়।
২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩২ সালে বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের একটি রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে নেজদ এবং হেজাজের দুটি রাজ্য একত্রিত হয় এবং সৌদ বংশের নামানুসারে সৌদি আরবের নামকরণ করা হয়। এভাবে আবদুল আজিজ সৌদি আরবের প্রথম বাদশাহ হন।
হুসেইন বিন আলী যখন ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন তখন তিনি হেজাজের হাশিমীয় রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
১৯২৫-২৬ সাল নাগাদ সৌদ বংশ হাশিমীয়দের পরাজিত করে হেজাজ দখল করে। অবশেষে হেজাজ এবং নেজদ রাজ্য ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৩২ সালে এ দুটি রাজ্য একত্রিত হয়ে আধুনিক সৌদি আরব প্রতিষ্ঠিত হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন