ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী লড়াই ছিল গ্যালিপলি যুদ্ধ। উসমানীয় খেলাফতকে উৎখাত করতে মিত্রবাহিনী তুর্কি উপদ্বীপে অবতরণ করলে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
অটোম্যান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে মিত্র বাহিনীর সম্মুখ সমরে মিত্র শক্তির প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার সেনা নিহত হয়। এ যুদ্ধে ব্রিটেন, ফ্রান্স, ব্রিটেনের তৎকালীন কলোনী অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড এবং ইন্ডিয়া যৌথভাবে অট্টোমান সাম্রাজ্য ও জার্মানির বিরুদ্ধে লড়েছিলো। ঐতিহাসিকভাবে একে ‘গ্যালিপলি ক্যাম্পেইন’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছে।। তুর্কি ভাষায় এ যুদ্ধ চানাক্কালে যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
ক্যাম্পেইনটি ২৫শে এপ্রিল, ১৯১৫ থেকে শুরু করে ৯ই ফেব্রুয়ারি, ১৯১৬ পর্যন্ত চলমান ছিল।গ্যালিপলি ক্যাম্পেইনে ২৫ হাজার ব্রিটিশ সেনা, ১০ হাজার ফরাসি সেনা এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ১০ হাজার সেনা নিহত হয়। গ্যালিপলি যুদ্ধের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো- অটোম্যান সাম্রাজ্যের কাছে হেরে যায় মিত্র শক্তি। তুরস্কের ৮৬ হাজার সেনা নিহত হলেও বেঁচে যান কমান্ডার মুস্তফা কামাল। তার হাতেই নির্মিত হয় আধুনিক
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন