১২৬০ খ্রিষ্টাব্দ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে তখন আতঙ্কের কালো মেঘ। মঙ্গোল বাহিনীর নাম শুনলেই নগরীর দরজা বন্ধ হয়ে যেত, মানুষ পালানোর পথ খুঁজত। একের পর এক নগরী ধ্বংস করে এগিয়ে আসছিল চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের বাহিনী। এরই মধ্যে মঙ্গোল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী সেনাপতি হুলাগু খান মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর অভিযান শুরু করেন। বাগদাদ থেকে সিরিয়া—ধ্বংসের পথে মঙ্গোল বাহিনী ১২৫৮ সালে হুলাগুর বাহিনী আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে। শেষ আব্বাসীয় খলিফা আল-মুস্তাসিম বিল্লাহ নিহত হন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বাগদাদ ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়। এরপর হুলাগুর বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১২৬০ সালের জানুয়ারিতে আলেপ্পো অবরোধ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শহরটি মঙ্গোলদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এরপর মঙ্গোল বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হয় এবং মার্চ মাসে দামেস্কও তাদের দখলে আসে। মনে হচ্ছিল—মঙ্গোলদের থামানোর মতো কোনো শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু ইতিহাস তখন অন্য একটি অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মিশরে উঠে এল মামলুক শক্তি মঙ্গোলদের এই অপ্রতিরোধ...
হাউ টু মার্ডার ইয়োর হাজব্যান্ড” অর্থাৎ “কীভাবে আপনার স্বামীকে হত্যা করবেন” বইয়ের লেখিকা ন্যান্সি ক্র্যাম্পটন ব্রফি। ২০১১ সালে বইটি প্রকাশ করেছিলেন ন্যান্সি। সেখানে কীভাবে ধরা না পড়ে হত্যা করা যায় অথবা হত্যা করার বিভিন্ন সম্ভাব্য উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনাও করেন তিনি।
এদিকে লেখিকা ন্যান্সি তার স্বামী ড্যানিয়েল ব্রফিকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, আর্থিক সমস্যার কারণে ২০১৮ সালের ২ জুন স্বামী ড্যানিয়েলকে গুলি করে হত্যা করেন ন্যান্সি।২৫ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন রাজ্যের পোর্টল্যান্ডের একটি আদালত নিজের স্বামীকে গুলি করে হত্যার দায়ে তাকে দোষী করা হয়।২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হাজতে আছেন তিনি। যদিও আদালতে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই লেখিকা। বইটি এ ঘটনার প্রায় ৭ বছর আগে প্রকাশিত হয়েছিল বলে বিচারক ও জুরিরা জানিয়েছেন।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন