মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
হাউ টু মার্ডার ইয়োর হাজব্যান্ড” অর্থাৎ “কীভাবে আপনার স্বামীকে হত্যা করবেন” বইয়ের লেখিকা ন্যান্সি ক্র্যাম্পটন ব্রফি। ২০১১ সালে বইটি প্রকাশ করেছিলেন ন্যান্সি। সেখানে কীভাবে ধরা না পড়ে হত্যা করা যায় অথবা হত্যা করার বিভিন্ন সম্ভাব্য উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনাও করেন তিনি।
এদিকে লেখিকা ন্যান্সি তার স্বামী ড্যানিয়েল ব্রফিকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, আর্থিক সমস্যার কারণে ২০১৮ সালের ২ জুন স্বামী ড্যানিয়েলকে গুলি করে হত্যা করেন ন্যান্সি।২৫ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন রাজ্যের পোর্টল্যান্ডের একটি আদালত নিজের স্বামীকে গুলি করে হত্যার দায়ে তাকে দোষী করা হয়।২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হাজতে আছেন তিনি। যদিও আদালতে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এই লেখিকা। বইটি এ ঘটনার প্রায় ৭ বছর আগে প্রকাশিত হয়েছিল বলে বিচারক ও জুরিরা জানিয়েছেন।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন