ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
টাইম্স স্কয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের কেন্দ্রস্থলে ম্যানহাটানে অবস্থিত একটি সড়ক চত্বর এবং নিউইয়র্ক শহরের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা। একে 'পৃথিবীর সড়ক সংযোগস্থল' বলা হয়। টাইম্স স্কয়ার বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত পথচারী সংযোগস্থল এবং বিশ্ব বিনোদন শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। জায়গাটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিদৃষ্ট পর্যটন স্থল। প্রতিদিন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ টাইমস স্কয়ার দিয়ে যাতায়াত করে। এই এলাকাটি রঙ-বেরঙের বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জ্বা ও প্রোজ্জ্বল সাইনবোর্ডের কারণে বিখ্যাত। প্রতিবছর এখানে জাঁকজমকের সাথে খ্রিস্টীয় নববর্ষ উদযাপিত হয়ে থাকে।
প্রথম বারের মতো টাইমস স্কয়ারে ইফতার বিতরণ ও তারাবির নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রমজানের প্রথম দিন শনিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ইফতার ও তারাবির নামাজে হাজারের বেশি মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। ব্যতিক্রমধর্মী এ ইভেন্টের আয়োজকরা উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে ১৫ শ ইফতার খাবার বিতরণ করেন। টাইমস স্কয়ারের স্মরণীয় এ ইভেন্টে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ছাড়াও কানাডার মন্ট্রিল থেকেও মুসল্লিরা আসেন। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন এবং রমজান মাসের তাৎপর্য তুলে ধরেন তারা।
দ্য ইনস্টিটিউট ফর সোস্যাল পলিসি অ্যান্ড আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর ২০১৮ সালের গবেষণা মতে, এ শহরে প্রায় সাত লাখ ৬৯ হাজার মুসলিম বসবাস করেন যা মোট জনসংখ্যার ৯ শতাংশ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন