মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
শর্তহীন যুদ্ধ বিরতি। অবৈধ দখলকৃত ভূমি ইসরায়েল ছেড়ে দেয়নি। ভবিষ্যতে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের হত্যা করবে না তার নিশ্চয়তা নেই।কয়েকদিনে নিহত গাজা বাসিকে ক্ষতিপূরণ এবং যা ইমারত ধবংস হয়েছে পুননির্মাণ করে দেবে এমন কোনো কথাও বলা হয়নি। ইসরায়েল তাদের সৈন্যদের বিচার করবে সেই প্রতিশ্রুতি নেই। যেসব পরিবারকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা নিয়ে সংঘাতের সূত্রপাত তাদের বাড়ি ঘর ফিরে দেয়া হবে কি না তা ষ্পষ্ট নয়।তাহলে কিসের যুদ্ধ বিরতি? কিসের এতো উচ্ছ্বাস! এখনো গাজায় নারী ও শিশুর রক্তের ছাপ শুকায়নি। ছেলে হারা মায়ের গগনবিদারী আর্তনাদ এখনো প্রকৃতিকে বিষন্ন ও শোকার্ত করে রেখেছে। সেখানে গাজার মানুষের আনন্দ উৎসব আহম্মকের কাজ মনে হয়েছে। এরা আসলেই নালায়েক। নিজেদের ভুলেই এদের দুর্গতি ও করুণ পরিণতি। এদের আতশবাজি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার লাফালাফির মতো মনে হয়েছে।
দুঃখিত কঠিনভাবে কথাগুলো বলার জন্য। ফিলিস্তিনের জন্য আবেগের জায়গা থেকে কথাগুলো বলা। ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য অবিরাম ভালোবাসা।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন