ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...
সুবহানাল্লাহ এর অনুবাদ করা হয় আল্লাহর গৌরব হোক (glory be to Allah) হিসাবে। তবে তা খুব ভালো অনুবাদ বলে গণ্য করা যায় না।সবচেয়ে ভালো অনুবাদ হবে— আল্লাহ তায়ালা যে কোনও অপূর্ণতা থেকে মুক্ত।হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, এ বাক্যটির অর্থ হলো- আল্লাহ পবিত্র অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা যাবতীয় মন্দ ও সর্ব প্রকার দোষ-ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র। সুতরাং সুবহানাল্লাহ অর্থ আল্লাহ পুতঃপবিত্র। যা কুরআনের সূরা বাকারার ৩২ নম্বর আয়াতে উঠে এসেছে। আশ্চর্যজনক ভালো কোনো কাজ হতে দেখলে কিংবা বিস্ময়কর ভালো কোনো কথা শুনলে এটি বলার অভ্যাস করুন।যেমন, সুবহানাল্লাহ! আগুনে পুরো ঘর পুড়ে গেলেও কুরআন শরীফ অক্ষত আছে।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ (সগিরা) গুনাহ থাকলেও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। (-সহিহ বোখারি- ৭/১৬৮)।হযরত সামুরা ইবনু জুনদুব (রা.)বলেন,রাসূলুল্লাহ (সা.)বলেছেন,আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় বাক্য চারটি সুবহানআল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ,লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং আল্লাহু আকবর। তুমি ইচ্ছামতো এই বাক্য চারটির যে কোন বাক্য আগে পিছে বলতে পারো।(বাক্যগুলির সাজানোর ক্ষেত্রে কোন নিয়ম বা ফযিলত নেই )
[সহীহ মুসলিম ৩/১৬৮৫, নং ২১৩৭]

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন