মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুতে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তবে তাঁর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর জীবনপ্রদীপ যেভাবে নিভে গিয়েছিল, তা অত্যন্ত করুণ এবং বিতর্কিত। সাধারণ ইতিহাস কিংবা উপকথার বাইরে গিয়ে যদি ইবনে আল-বালাজুরি, জি. আর. হটিং কিংবা পি. কে. হিটি-র মতো ইতিহাসবিদদের সূত্র বিশ্লেষণ করা হয়, তবে দেখা যায় যে তাঁর মৃত্যু মূলত উমাইয়া খিলাফতের অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল ও রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফলাফল ছিল। ১. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ও মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থান মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্থানের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর অভিভাবক হাজ্জাজ বিন ইউসুফের । ৬৯৪ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান হাজ্জাজকে ইরাকের গভর্নর নিযুক্ত করেন। ৭০৫ সালে আবদুল মালিকের মৃত্যুর পর নতুন খলিফা আল-ওয়ালিদও হাজ্জাজকে তাঁর পদে বহাল রাখেন। এই হাজ্জাজের নেতৃত্বেই মুহাম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে উমাইয়া শাসন সুদৃঢ় করেন। ২. অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও উত্তরাধিকার সংকট হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কঠোর শাসন খিলাফতের ভেতরে বহু শত্রুর জন্ম দিয়েছিল: মুহাল্লাব পরিবারের সাথে দ্বন...
অথচ মাস খানেক আগেও এসব ভিআইপি সিআইপি হাঁচি-কাশি,জ্বর-ঠান্ডা হলেই এয়ার এ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সিঙ্গাপুর চলে যেতেন মেডিক্যাল চেকাপ করতে। আজ একটি আইসিইউ বেড ও অক্সিজেন সাপোর্টের অভাবে মারা যেতে হচ্ছে।করোনায় আক্রান্ত হলেও অনেকেই সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জন্য আইসিইউ ও ভেন্টিলেটরের যোগান দেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। অপরদিকে গরীব মানুষের জন্য করোনার চিকিৎসা রীতিমতো দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে।দেশে স্বাস্থ্য খাতে সীমাহীন দুর্নীতির কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অবকাঠামো গড়ে ওঠেনি। ফলে এ ধরণের মহামারি পরিস্থিতি সামাল দিতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে। আর শিল্পপতিরাও হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করলেও দেশের চিকিৎসা খাতের জন্য তারা তেমন কিছুই করেনি।কোটিপতিরা এতদিন অসুস্থ হলেই বিদেশে ছুটে গেছেন। অথচ তারা মুনাফার কিছু অংশ দেশের স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার চিত্র পাল্টে যেত। তাদের নিজেদেরকেও এমন করুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না।
বোধোদয় কবিতা-
গরীবের বুকের পাঁজর দিয়ে তৈরি হয় লোভীর প্রাসাদ, আকাশ চুম্বি লোভ লালসা।।
চাপা পড়ে থাকে অধিকার।
একসময়, লোভের পতন হয়, প্রাসাদ ধ্বংস হয়, সেই পাঁজরেই সব দম্ভ ধসে পড়ে।
ভাঙ্গা প্রাসাদে মানুষ চাপা পড়ে না, পড়ে আমাদের বিবেক, মনুষ্যত্ব।।
মৃত্যু হয় গরীবের, এ যেন মুক্তি। মুক্তি সব অন্যায়,অবিচার, জুলুমের।
তারা একে একে মুক্ত হয়ে চলে যায়, আর আমাদের বেঁধে রাখে বিবেকের কাঠগড়ায়।
গ্রন্থনায়-মো.আবু রায়হান

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন