সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ইস্তাম্বুল থেকে মদিনা: উসমানীয় সাম্রাজ্যের শেষ খলিফা আবদুল মজিদ দ্বিতীয়-এর করুণ প্রস্থান

ইতিহাসের পাতায় কিছু সমাপ্তি কেবল একটি অধ্যায়ের শেষ নয়, বরং তা এক গভীর ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়। ২৩ আগস্ট—উসমানীয় রাজবংশের শেষ খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মজিদ (Caliph Abdul Majid II) -এর জীবনের এক মর্মস্পর্শী ও বেদনাবিধূর অধ্যায়কে স্মরণ করার দিন। খেলাফতের পতন এবং উসমানীয় রাজবংশের তুরস্ক থেকে নির্বাসনের পর তাঁর জীবন কীভাবে এক নিদারুণ নিঃসঙ্গতায় পর্যবসিত হয়েছিল, এটি তারই এক ঐতিহাসিক দলিল। ১. নির্বাসিত জীবন ও প্যারিসের নিঃসঙ্গ মৃত্যু তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর যখন উসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করা হয়, তখন রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের মতো আবদুল মজিদ দ্বিতীয়কেও দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। তিনি ফ্রান্সে গিয়ে আশ্রয় নেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নেয়, তখন চরম দুর্দিনে প্যারিসের এক ফ্ল্যাটে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ এতটাই অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল যে, বেশ কয়েক দিন ধরে তা ফ্ল্যাটেই রাখা ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তাঁর মরদেহ প্যারিস মসজিদে নিয়ে গিয়ে হিমঘরে (frozen storage) রাখা হয়। ২. অপূর্ণ ইচ্ছে ও শেষ ঠিকানার সন্ধান আবদুল মজিদ জীবনের ...

আবেগী বাঙালি বাস্তবতায় নিরুপায়

হকার ফেরি করে পতাকা বিক্রি করছে। এতে এতো উচ্ছ্বসিত ও আহ্লাদিত হবার কিছু নেই। ঐদেশের মন্ত্রী বা এমপি পতাকা নিয়ে কিছু করলে ভাববার অনেক কিছু ছিল। আমাদের অনুভূতি এমন যে ব্রিটিশ বুঝি আমাদের কলোনি হয়ে গেছে। আজ আমেরিকায় খেলা হলে সেখানকার হকারও অনুরূপ কিছু করত। তবে এটি গৌরবের যে লাল সবুজের পতাকা কোথাও পতপত করে উড়তে দেখলে বুকটা গর্বে দেড় ইঞ্চি ফুলে উঠে। হুজুগে বাঙালি নয়।  আসুন বাস্তবে বাঙালি হয়। আসল জায়গায় হাত দেই। দেশটাকে স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে নিয়ে যাই।এবার ঈদে ৬ লক্ষ বাংলাদেশী দেশের বাইরে যাচ্ছে তাদের খোঁজ খবর একটু রাখি। তারা কারা?  কি তাদের পেশা? তাদের আয়ের উৎসই বা কি? এগুলো জানেন। লাভ দেবে। দেশটা আর কতভাবে শুষে খাবে ওরা?ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মতো লাফালাফি বাদ দে।  হয়তো আজ শেষ তারাবী। আল্লাহ হাফেজ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি