মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতকাল ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম একটি স্থানীয় ধর্মীয় আন্দোলন থেকে আঞ্চলিক শক্তিতে রূপ নেয়। মদিনা থেকে শুরু করে এই আন্দোলন কূটনীতি, চুক্তি এবং সামরিক অভিযানের মাধ্যমে সমগ্র আরব উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ে। মূল দিকসমূহ: রাজনৈতিক ঐক্য: আরবের বিভিন্ন গোত্র ইসলামের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব মেনে নেয়, যার ফলে দীর্ঘদিনের আন্তঃগোত্রীয় দ্বন্দ্বের অবসান ঘটে। কেন্দ্রীয় রাষ্ট্র: মদিনাকে কেন্দ্র করে একটি সুসংহত ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান: এই নবগঠিত রাষ্ট্রটি এমন এক সময়ে গঠিত হয়েছিল যখন এর পশ্চিমে বাইজেন্টাইন (রোমান) সাম্রাজ্য এবং পূর্বে সাসানীয় (পারস্য) সাম্রাজ্য অবস্থান করছিল—উভয় সাম্রাজ্যই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। মানচিত্র (Map Overview) ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ইসলামের বিস্তৃতি বোঝাতে সাধারণত যে ঐতিহাসিক মানচিত্রগুলো (যেমন: আল মুকাদ্দামা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক ম্যাপ) ব্যবহার করা হয়, তাতে নিম্নলিখিত ভৌগোলিক সীমানা দেখা যায়: সবুজ বা নির্দিষ্ট রঙে চিহ্নিত এলাকা: সম্পূর্ণ আরব উপদ্বীপ (মক্কা, মদিনা,...
পরে আবারো আরব দেশে সংবাদের শিরোনাম হন জেনিফার। তবে গান গেয়ে নয়, শিরোনাম হন ইসলাম গ্রহণ করে।অথচ আগে তিনি ছিলেন একজন আপাদমস্তক নাস্তিক। তার বিশ্বাস ছিল, ধর্ম কোনো উপকারে আসে না, বরং ক্ষতিই করে।২০১৩ সালে ইসলাম গ্রহণকারী মার্কিন গায়িকা জেনিফার বলেছেন, আমার কাছে এমন মনে হয় যে, আমি ইসলামকে বেছে নেইনি; বরং ইসলামই আমাকে বেছে নিয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে জেনিফার জানান, ইসলাম গ্রহণের আগে অন্য কোনো ধর্মের প্রতি তেমন ঝোঁক ছিল না তার।তিনি বলেন, আমরা এমন এক জীবন প্রণালী অনুসরণ করি- যেখানে বাহ্যিক বিষয়সমূহকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে এবং সর্বোপরি একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের আত্মার উন্নতি নিয়ে কাজ করা উচিৎ। জেনিফার মনে করেন, আমরা সত্যিকার অর্থে কেমন- এটা শুধুমাত্র আল্লাহই জানেন। এজন্য আমরা কারও বাহ্যিক দেখে তাকে ভালমন্দ নির্ণয় করতে পারিনা। তিনি বলেন ইসলাম তার চোখ খুলে দিয়েছে এবং কুরআন সম্পর্কে জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। গ্রাউট নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এভাবে, ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টার ফলেই আমার চোখ খুলে গেল এবং হঠাৎ করেই আমার ভেতরে বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটল। এমনটি আমার জীবনে আর কখনই ঘটেনি। এভাবেই ইসলামের দিকে আমার পথচলা শুরু।
জেনিফার বলেন, "ইসলাম গ্রহণের জন্য আমি মসজিদে যাইনি কোনো ইমামের শরণাপন্ন হইনি এবং কোনো কাগজপত্রে স্বাক্ষর করিনি। তবে অন্তরের অন্তস্থল থেকে আমি দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি এবং ইসলামের বিধান মেনে যাকাত দিই।রমজান মাসে রোজাও রাখব।" জেনিফার বলেন, "এসব হচ্ছে ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি অবশ্যই ইসলাম, কোরআন ও ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছি। মরক্কোর এক সংগীতশিল্পীর প্রেমে পড়েন জেনিফার। এরপরেই বদলে যেতে থাকে। সেই প্রেমিককেই বিয়ে করেছেন জেনিফার। জেনিফার গ্রাউট অত্যন্ত সুন্দর করে সুমিষ্ট স্বরে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারেন। ইদানিং ভার্চুয়াল জগতে বিশেষ করে ইউটিউবে তার সুললিত কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াত সারা বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তার প্রিয় কারি মিসরের শায়খ কারি সিদ্দিক আল মিনশাবি।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তার কুরআনে কারিম তেলাওয়াত শোনার বিরাট সংখ্যক ভক্ত রয়েছে। She was reciting the Qur’an soothingly. Quranic Recitation is an art in itself and can be appreciated by anyone and everyone.”
জেনিফার গ্রাউটের কুরআন তেলাওয়াতের লিংক
১. https://youtu.be/dkQZjpozoZM
২.https://youtu.be/uPtwZHNurbY
৩.https://youtu.be/ZC5QrrLl77s
গ্রন্থনায়- মো. আবু রায়হান


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন